ওই মামলায় মিমোর বিভাগের শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল রাজধানীর বাড্ডার বাসা থেকে মাহজাবিন মিমোর মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারের সময় তার বাসা থেকে একটি নোট ও মোবাইল ফোন থেকে কিছু কথোপকথন পাওয়া গেছে। যেখানে তিনি বিভাগের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর নাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তার এক সহপাঠীর নাম উল্লেখ করেছেন। বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাসীরুল আমিন বলেন, ‘শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনায় একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। সেই চিরকুটে কয়েক লাইনের পাশাপাশি এ রকম একটি লাইন ছিল মনে হচ্ছে যে—শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তী ও আরেকজন ভালো থাকুক। পরবর্তী সময়ে ওই শিক্ষার্থীর বাবা মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করে শিক্ষকের সঙ্গে তার মেয়ের কথাবার্তার প্রমাণ পেয়েছেন এবং মধ্যরাতেও তাদের কথা হতো। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা মামলা করেছেন। সেই মামলায় শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।’

থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে সকালে বাড্ডায় যাই। সেখানে আমাদের সঙ্গে অন্য শিক্ষকদের মধ্যে সুদীপ চক্রবর্তীও ছিলেন। পুলিশ তাকে সেখান থেকেই হেফাজতে নিয়েছে। তারা মোবাইলে কিছু বিষয় পেয়েছেন। এছাড়া তার একটি নোট পেয়েছেন। তবে আমাদের পুলিশ সেভাবে কিছু জানায়নি। সে খুবই চঞ্চল ও মেধাবী। সে অন্যদের উৎসাহ দিত। সে এ ধরনের কিছু করবে, তা আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না। আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে বলার কোনো ভাষা নেই। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার চাই।’