চাঁদাবাজি ও অপহরণের অভিযোগে সুনামগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি সেলিম আহমদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভোরে সুনামগঞ্জ পৌরশহরের হাসননগরের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তাহিরপুর থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, ১১ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সংসার হাওরের জেটি থেকে অস্ত্রের মুখে ব্যবসায়ীসহ তিন ব্যক্তিকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। দুটি স্পিডবোটযোগে আসা ১৪-১৫ জনের সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্র পরে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পাওয়ায় সেখানে রাতভর ব্যবসায়ীদের ওপর নির্যাতন ও সাদা কাগজে স্বাক্ষর আদায় করে তারা। এ ঘটনার পর তাহিরপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে অপহরণকারী চক্র ব্যবসায়ীসহ তিন ব্যক্তিকে ১২ আগস্ট ভোররাতে জিম্মিদশা থেকে ছেড়ে দেয়। এরপর তাহিরপুর থানা পুলিশের একটি দল তাহিরপুরের লাউড়েরগড় সাহিদাবাদ থেকে মোর্শেদকে আটক করে। এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ পৌর এলাকার হাসননগর এলাকার মৃত রাজা মিয়ার ছেলে ওলিউর রহমান বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় চাঁদাবাজি ও অপহরণ মামলা করেন। মামলায় মোর্শেদ ও তার তিন সহোদরসহ সাতজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরো সাত-আটজনকে আসামি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তার চাচাতো ভাই শ্রমিক লীগ সভাপতি সেলিম আহমদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।