ঝিনাইদহের বেশির ভাগ গ্রামীণ সড়ক যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কগুলোয় তৈরি হয়েছে ছোটবড় গর্ত। এসব গর্তে যানবাহন পড়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোটবড় দুর্ঘটনা। এতে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে যানবাহনচালক, যাত্রী ও পথচারীদের। দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় বাধ্য হয়ে ভাঙাচোরা এসব সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ-নারিকেলবাড়িয়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে তৈরি হয়েছে ছোটবড় খানাখন্দ। প্রতিদিন সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও পাশের মাগুরা জেলার কয়েক হাজার মানুষ এ সড়কে চলাচল করে।
ভ্যানচালক আজিম আলী বলেন, ‘এ সড়কের অধিকাংশ স্থানে তৈরি হয়েছে ছোটবড় খানাখন্দ। যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো অনেক কষ্ট হয়। কখনো কখনো যাত্রীসহ ভ্যান উল্টে পড়ার উপক্রম হয়। এছাড়া ভ্যানের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে আমার উপার্জনের একমাত্র বাহন। তাই আমার দাবি, দ্রুত সড়কগুলো সংস্কার করা হোক।’
একই অবস্থা শৈলকুপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ-পান্টি সড়কের। দীর্ঘ ১৫ বছর এ সড়কের সংস্কার হয়নি। ফলে সড়কের বেশির ভাগ স্থানের উঠে গেছে কার্পেটিং। তৈরি হয়েছে ছোটবড় গর্ত। কোথাও ধসে গেছে সড়ক। যে কারণে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। কেবল এ দুটি সড়কই নয়, এমন দশা জেলার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়কের। মহাসড়কের সঙ্গে সংযোগ হওয়ায় এসব সড়ক ব্যবহারকারীর সংখ্যাও অনেক বেশি। দ্রুত এসব সড়ক সংস্কার করে জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবি ভুক্তভোগীর।
ঝিনাইদহ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মনোয়ার উদ্দিন জানান, পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। টেন্ডার হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ শুরু হবে।










