চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় জনসংখ্যা ৪ লাখ ৭২ হাজার ৭৭৭ জন। চলতি অর্থবছরে বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ কোটি ১১ লাখ টাকা, যা মাথাপিছু দাঁড়ায় ৩৮ টাকা ৩৬ পয়সায়। অথচ ৫০ শয্যাবিশিষ্ট মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দৈনিক ভর্তি, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন কয়েকশ রোগী।
হাসপাতালের তথ্য বলছে, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত গড়ে দৈনিক চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত ৩৪৫ জনের বেশি। এর মধ্যে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৪ হাজার ৪১৩ জন। এছাড়া গত সাত মাসে হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ৫ হাজার ৬০ রোগী। ২০২৪ সালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৯৮০ জন। এর মধ্যে ২৫ হাজার ৩৮ রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন জরুরি বিভাগে। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯ হাজার ১০০ জন।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ, বহির্বিভাগের সামনে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য প্রায় ৫০ ধরনের ওষুধের তালিকা দেয়া হলেও অধিকাংশই পাওয়া যায় না।
১ জুলাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়া এক শিশুর অভিভাবক বলেন, ‘আমার সন্তানের পায়ের ওপর কিছু অংশ ফুলে গিয়েছিল। অস্ত্রোপচারের জন্য চিকিৎসক আমাকে গজ ও ব্যান্ডেজ কিনে আনতে বলেন। পরে গজ ও ব্যান্ডেজ কিনে আনার পর অস্ত্রোপচার করা হয়।’
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের প্রাপ্তি সাপেক্ষে ওষুধ বিতরণ করা হয়ে থাকে।’ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, ‘হাসপাতালের জন্য যা বরাদ্দ দেয়া হয়, তার ৭০ শতাংশ চলে যায় ওষুধ কিনতে।’










