জন্মগতভাবে জটিল রোগে আক্রান্ত দুই বছর বয়সী শিশু আনিফা আক্তারের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শিশুটি জটিল রোগে আক্রান্ত হলেও তার চিকিৎসা ব্যয় বহনে অক্ষম অসহায় পরিবার। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। এরপর শিশুটির প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে এবং পরিবারটির সার্বিক খোঁজখবর নিতে অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, তার কার্যালয়ের চিকিৎসক ও বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন ডা. শাহ মোহাম্মদ আমানুল্লাহ আমানের পরিকল্পনায় এবং আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে আজ সোমবার একটি প্রতিনিধি দল জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যান।
সেখানে তারা শিশু আনিফা আক্তারের চিকিৎসা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম সমন্বয়ের উদ্যোগ নেন।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের শিশু কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ড আনিফা আক্তারের সার্বিক শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি এবং বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করেন। তারা জানান, শিশুটির রোগের অবস্থা অত্যন্ত জটিল ও সংকটাপন্ন।
মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, চীন থেকে আগত একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম বাংলাদেশে পৌঁছালে আনিফার রোগের বিষয়টি তাদের সামনে উপস্থাপন করা হবে। এরপর চীনা দলের যৌথ পরামর্শের ভিত্তিতে পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এ সময় আনিফার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের আশ্বস্ত করেন যে, শিশুটির প্রয়োজনীয় চিকিৎসার বিষয়ে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।










