গতকাল বিকালে প্রথম দিনে বগুড়ার রাজ এন্টারপ্রাইজ ও মাহাদি এন্টারপ্রাইজ নামে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান তিনটি ট্রাকে মোট ২১ টন কাঁচামরিচ আমদানি করেছে। ভারতের কাটিহার থেকে এসব কাঁচামরিচ আনা হয়েছে।

এর আগে সর্বশেষ গত বছরের ২০ নভেম্বর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছিল।

হিলি স্থলবন্দরের কাঁচামরিচ আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম বলেন, ‘‌বৈরী আবহাওয়া ও টানা বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কাঁচামরিচের খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ ছিল না। ফলে কাঁচামরিচের দাম প্রতি কেজি ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। অন্যদিকে ভারতে কাঁচামরিচের দাম তুলনামূলক কম থাকায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানির অনুমতি চেয়ে আসছিলেন তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘‌হিলি স্থলবন্দরের বেশ কয়েকজন আমদানিকারক কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। তারা এলসি খোলা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করছেন। প্রথম দিন আমদানির পরিমাণ কম হলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।’

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘‌দেশে কাঁচামরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এরই মধ্যে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আসা শুরু হয়েছে। দ্রুত আমদানীকৃত কাঁচামরিচের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সনদ দেয়া হবে। এরপর আমদানিকারকরা বন্দর থেকে পণ্য খালাস নিতে পারবেন।’