চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দুটি প্রতিযোগী এআই ইকোসিস্টেমের নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য এ থেকে স্পষ্ট বার্তা হলো, এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।’
গতকাল রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘এআই অ্যান্ড গভর্ন্যান্স: গ্লোবাল টেকনোলজি আর্কিটেকচার, ন্যাশনাল ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড পলিসি ডিরেক্টিভস’ শীর্ষক সেমিনারটির আয়োজন করে বিআইআইএসএস।
এআইকে জাতীয় শক্তিতে রূপান্তর করতে প্রয়োজনীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশে মেধাবী মানুষ, বিশাল জনসংখ্যা ও এআই প্রয়োগের উপযোগী নানা সমস্যা রয়েছে। তবে এসব সম্ভাবনাকে জাতীয় সক্ষমতায় রূপ দিতে প্রয়োজনীয় ইকোসিস্টেমের ঘাটতি রয়েছে।’
এ সময় এআইভিত্তিক রূপান্তরের ক্ষেত্রে সরকারি প্রশাসনকে অগ্রাধিকার দেয়ার পরামর্শ দেন জনপ্রশাসন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সরকারি ব্যয়, ক্রয়, নিয়োগ, স্বাস্থ্যসেবা, কর, সামাজিক সুরক্ষা ও ফাইল ব্যবস্থাপনায় এআই ব্যবহার করা সম্ভব। একই সঙ্গে পরিকল্পনা কমিশন ও অর্থ বিভাগ প্রকল্প প্রণয়ন, ব্যয়ের যৌক্তিকতা নির্ধারণ ও তদারকিতে এআই ব্যবহার করতে পারে। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে।’
কর্মসংস্থানে এআইয়ের প্রভাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত “এআই-সহায়ক সরকার’’, “মানবশূন্য সরকার’’ নয়। শুধু অদক্ষতার কারণে কর্মসংস্থান ধরে রাখার প্রয়োজন নেই।’
এআই ব্যবহারের সঙ্গে জ্বালানি কৌশলের সম্পর্ক তুলে ধরে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ‘এআই পরিচালনায় বিপুল বিদ্যুৎ প্রয়োজন। ফলে জ্বালানি কৌশল নিয়ে আলোচনা ছাড়া জাতীয় এআই কৌশল নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব নয়।’










