বরিশালে আদালত চত্ত্বরে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত সাংবাদিকসহ ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

আহতদের মধ্যে ১১ জনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন সমন্বয়ক সুজন আহম্মেদ, প্রতিক, ইনজামুল, ছবুর, অলিউল, সোহেল, রাফসান, বিজন সিকদার এবং সাংবাদিক শামীম আহমেদ, রিদয় ও তুহিন।

আজ বুধবার (৩১ জুলাই) বেলা বারোটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী নগরীর ফজলুল হক এভিনিউয়ের কাকলির মোড়, আদালত চত্ত্বর ও নগর ভবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শেরে বাংলা একে ফজলুল হক কলেজের ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সুজন আহম্মেদ বলেন, আমাদের পূর্ব ঘোষিত ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ দুই দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে নগরীর টাউন হলের সামনে জড়ো হতে থাকে, এ সময় পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা তাদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দিলে বিভিন্ন অলিগলি থেকে তারা আদালত চত্ত্বরে পুনরায় জড়ো হতে চেষ্টা করে। পুলিশের লাঠিপেটা ও বাঁধার মুখে নারী শিক্ষার্থীরা সড়কে বসে পড়লে চারজনকে আটক করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের বাক-বিতণ্ডা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ, কাকলির মোড়, সদর রোড এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, সব ধরনের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সড়কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছে।