ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেয়েছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন থেকে বিএনপির সরওয়ার আলমগীর ও চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসন থেকে বিএনপির আসলাম চৌধুরী। কিন্তু ঋণখেলাপির অভিযোগে তাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে করা আপিল আদালতে বিচারাধীন থাকায় সেটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ দুই আসনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হচ্ছে না।

গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট। অন্যদিকে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সারোয়ার আলমগীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নুরুল আমিন পেয়েছেন ৬২ হাজার ১৬০ ভোট।

সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেলেও বিএনপির এ দুই প্রার্থীর বিজয়োল্লাস থমকে আছে। কেননা দুই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা ঋণখেলাপির অভিযোগে বিএনপির দুই প্রার্থীর প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন। আদালত এ লিভ মঞ্জুর করেছেন।

আপিল বিভাগ জানিয়েছেন, তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন, কিন্তু আদালতে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের ফল স্থগিত থাকবে এবং তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা যাবে না।

তবে দুই প্রার্থী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রোববার হাইকোর্টের কার্যক্রম চালু হলে আপিল নিষ্পত্তির বিষয়টি সুরাহা হবে বলে আশা করছেন তারা। তারা বলছেন, আইনি জট কাটলে দ্রুত তাদের গেজেট প্রকাশ হবে এবং তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন।