ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে আইএফআইএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড-১-এর ইউনিট দর বেড়েছে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির ২৩ কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার ইউনিট লেনদেন হয়েছে, দৈনিক গড় হিসাবে যা ছিল ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২৭ ডিসেম্বর ফান্ডটির ইউনিট দর ছিল ৬ টাকা ৪০ পয়সা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার এ দর দাঁড়ায় ৭ টাকা ৫০ পয়সায়। গত এক বছরে ফান্ডটির ইউনিট দর ৬ টাকা ৪০ থেকে ৮ টাকা ৪০ পয়সায় ওঠানামা করেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ফান্ডটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৯ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিইউ) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৭৫ পয়সায়, ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে যা ছিল ১১ টাকা ৫৭ পয়সা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে ইউনিটহোল্ডারদের ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ফান্ডটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ফান্ডটির ইপিইউ হয়েছে ৩৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির এনএভিপিইউ দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৮৭ পয়সায়, ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে যা ছিল ১১ টাকা ৪৭ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২১ ও ২০২০ হিসাব বছরেও ইউনিটহোল্ডারদের জন্য একই হারে লভ্যাংশ দিয়েছিল আইএফআইএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড-১। সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে ৬ শতাংশ হারে ইউনিটহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিয়েছিল। সমাপ্ত ২০১৮ ও ২০১৭ হিসাব বছরে ৯ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দেয় ফান্ডটির পর্ষদ। সমাপ্ত ২০১৬ ও ২০১৫ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছিল ফান্ডটি।
২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফান্ডটির পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি ও পুঞ্জীভূত দায় ১১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মোট ইউনিট সংখ্যা ১০ কোটি। এর মধ্যে ১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ৬৩ দশমিক ১০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, ৭ দশমিক ৬৩ দশমিক বিদেশী ও বাকি ২৮ দশমিক ২৭ শতাংশ ইউনিট সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।









