গতকাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত আইসিসি বাংলাদেশের ৩১তম বার্ষিক কাউন্সিলে নির্বাহী বোর্ডের পক্ষে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। শক্তিশালী প্রবাসী আয়, স্থিতিশীল রফতানি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় অর্থনীতি স্থিতিশীলতা দেখালেও অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।’

তিনি জানান, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে আসে। শিল্প খাতের ধীরগতি, কড়াকড়ি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি, জ্বালানি সংকট এবং বেসরকারি বিনিয়োগে স্থবিরতার কারণে প্রবৃদ্ধি কমেছে।

তবে একই সময়ে প্রবাসী আয় রেকর্ড ৩২ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছানো, রফতানির স্থিতিশীলতা এবং কৃষি ও সেবা খাতের অবদান অর্থনীতিকে সহায়তা করেছে বলেও জানান তিনি।

এলডিসি-পরবর্তী বাণিজ্য বাস্তবতায় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) এবং মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) দ্রুত সম্পন্ন করার ওপরও জোর দেন আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি।