বছরের প্রথম দিন শক্তিশালী ভূমিকম্পের মুখে পড়ে জাপান। ৭ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে দেশটির ব্যবসা-বাণিজ্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ইশিকাওয়া, তোয়ামা, ফুকুই ও নিগাতা অঞ্চলে প্রায় ১৬০টি ফ্যামিলি মার্ট কনভিনিয়েন্স স্টোর বন্ধ হয়ে গেছে। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে কিছু অঞ্চলে কারখানা কার্যক্রমও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। খবর নিক্কেই এশিয়া
সেভেন-ইলেভেন ও লসনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী স্টোর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ সুপার স্টোরগুলো ডেলিভারি দিতে দেরি হতে পারে বলে জানিয়েছে। স্থানীয় ডিপার্টমেন্ট স্টোর দাইওয়াও বন্ধ রয়েছে। ভূমিকম্পের কারণে লজিস্টিক কোম্পানিগুলোও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইয়ামাতো পরিবহন ইশিকাওয়া থেকে সব পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। পাশাপাশি তারা তাদের নিজস্ব স্থাপনায় সব কার্যক্রমও বন্ধ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি কর্মীদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে আবার কবে কার্যক্রম শুরু হবে যে বিষয়ে এখনো কিছু জানায়নি।
ভূমিকম্প-পরবর্তী ট্র্যাফিক বিধিনিষেধের কারণে হোক্কাইডো, নিগাতা, তোয়ামা ও ফুকুই থেকে প্যাকেজ ডেলিভারিও দেরি হচ্ছে। এছাড়া ইশিকাওয়ার কিছু অংশে সাগাওয়া এক্সপ্রেসের পরিষেবা কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।
ভূমিকম্পের পর নিপ্পন স্টিল তাদের নাওয়েটসু স্টেইনলেস স্টিল কারখানার কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করেছে। তবে কারখানা কবে চালু করা হবে, তা এখনো জানা যায়নি। এদিকে তোশিবা জানিয়েছে, তাদের সহায়ক প্রতিষ্ঠান কাগা তোশিবা ইলেকট্রনিকস তাদের প্রধান সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে। কার্যক্রম আবার কবে শুরু হবে সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
মুরাতা ম্যানুফ্যাকচারিং ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি হওয়ায় দুটি কারখানায় ক্ষয়ক্ষতি অবস্থা নিরূপণ করছে। বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন মাল্টিলেয়ার সিরামিক ক্যাপাসিটার বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে মুরাতার দখলে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে যে তাদের আরো ১১টি আঞ্চলিক কারখানার কোনো ক্ষতি হয়নি।















