পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড সর্বশেষ ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ৮১ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল দুলামিয়া কটনের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৮৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ৮৩ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৮ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ২০ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৫১ পয়সায়।
তিন দশকের বেশি সময় আগে প্রতিষ্ঠিত দুলামিয়া কটন সুতা উৎপাদন করে যা মূলত স্থানীয় বস্ত্র শিল্পেই ব্যবহার হয়। মাল্টিমুড গ্রুপের এ প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে আসে ১৯৮৯ সালে। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৩০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৩৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৭৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬০০। এর ৩৩ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে।
এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৫৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬০ দশমিক ৪৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










