মহামারীর নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছে চীন। তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এশিয়ার অর্থনীতিতে। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা যাচ্ছে, চীনা আমদানিতে ভর দিয়ে ভিয়েতনামে বেড়েছে রফতানি চালের দাম। যদিও দাম কমেছে ভারত ও থাইল্যান্ডে। বৃহস্পতিবার ভিয়েতনামে ৫ শতাংশ ব্রোকেন রাইসের দাম ছিল প্রতি টন ৪৫০ ডলার। অথচ গত সপ্তাহেও এ দাম ছিল প্রতি টনে ৪৪০-৪৪৫ ডলার পর্যন্ত। খবর রয়টার্স।
হো চি মিন সিটির জনৈক ব্যবসায়ী রয়টার্সকে জানান, চীনে নতুন করে চালান শুরু হওয়ায় চালের দাম বাড়ছে। অন্যদিকে জাতীয় মজুদ সমৃদ্ধ করতে ইন্দোনেশিয়া চালের আমদানি বাড়িয়েছে, যা মূল্যবৃদ্ধিতে অন্যতম প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে। এতে রফতানির সুযোগও বেড়েছে।
ব্রোকেন রাইসের বৃহত্তম রফতানিকারী দেশ ভারত। দেশটিতে প্রতি টনে দাম ৩৮২-৩৮৭ ডলারে নেমে এসেছে বৃহস্পতিবারের সূচকে। অথচ গত সপ্তাহেও দাম ছিল ৩৮৫-৩৯০ ডলারের মধ্যে। এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে রয়টার্সের কাছে রুপির পতনকে চিহ্নিত করেছে অন্ধ্র প্রদেশের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, রুপির পতনই ভারতে রফতানি পণ্যের দাম কমে যাওয়ার বড় কারণ। এছাড়া আফ্রিকার দেশগুলোতেও আমদানি চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।









