এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসির (ইপিজিএল) চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১০ পয়সা। সে হিসাবে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ৫০ শতাংশ। কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ৯৭ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত), পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া যা ৩১ টাকা ৬ পয়সা। কোম্পানিটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিক্রি কমে যাওয়ায় আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছিল ৫১ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে এককভাবে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ১৮ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
কোম্পানিটির ক্যাটাগরি বিদ্যমান ‘এ’ থেকে ‘বি’তে অবনমন হয়েছে। সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করায় ক্যাটাগরির অবনমন হয়। এর আগে ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য ঘোষিত ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের দিয়েছে ইপিজিএল। আলোচ্য হিসাব বছরে এর বাইরে আর কোনো লভ্যাংশের সুপারিশ করেনি কোম্পানিটি। এ হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪৮ টাকা ১৮ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত), আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪৯ টাকা ১ পয়সা।
২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ইপিজিএল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮৩ পয়সা।
২০২১ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৯ কোটি ১ লাখ ৬৩ হাজার ২১৬। এর মধ্যে ৫৪ দশমিক ১৩ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৭ দশমিক ৯০ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৩৪ টাকা ৫০ ও ৪০ টাকা ৩০ পয়সা।









