মানচিত্র বলতে আমরা সাধারণত বুঝি নির্দিষ্ট স্কেল, অভিক্ষেপ এবং প্রচলিত সাংকেতিক চিহ্নের সাহায্যে দ্বিমাত্রিক মাধ্যমে গোলাকার পৃথিবী বা এর কোনো অংশের নিখুঁত ও সংক্ষিপ্ত প্রতিচ্ছবি অঙ্কন। মানবসভ্যতার শুরু থেকে বর্তমান আধুনিক ডিজিটাল যুগে প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানচিত্রের প্রয়োজন অপরিসীম। ভূগোলবিদ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, প্রতিরক্ষা ও আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও গবেষণার জন্য মানচিত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ টুলস। সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বিশ্বকে দেখার প্রচলিত মানচিত্রে বড় ধরনের একটি পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে। পৃথিবীর মহাদেশগুলোর প্রকৃত আয়তনের তুলনামূলক চিত্র আরো যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরতে ‘ইকুয়াল আর্থ’ প্রজেকশন বা অভিক্ষেপ ব্যবহারের পক্ষে ভোট দিয়েছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। প্রজেকশন বা অভিক্ষেপ হলো ত্রিমাত্রিক ও গোলাকার পৃথিবীকে দ্বিমাত্রিক বা সমতল মাধ্যমে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার একটি গাণিতিক ও জ্যামিতিক পদ্ধতি। একটি গোলাকার বস্তুকে কখনো সম্পূর্ণ নিখুঁতভাবে সমতলে প্রতিস্থাপন করা যায় না বিধায়, জ্যামিতিক জটিলতা দূর করতেই মূলত অভিক্ষেপ বা ম্যাপ প্রজেকশন ব্যবহার করা হয়।
একটি মানচিত্র হাতে নিয়ে আমরা ভাবি এটি পৃথিবীর একটি ছবি। কোথায় কোন দেশ, কোন মহাদেশ কত দূরে, কোন সমুদ্র কোথায়, এসব জানার জন্যই যেন মানচিত্র। কিন্তু ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে আমরা জানি, মানচিত্র কখনই কেবল পৃথিবীর একটি ছবি নয়; এটি পৃথিবীকে দেখার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি। একটি মানচিত্রে কী দেখানো হচ্ছে, কীভাবে দেখানো হচ্ছে এবং কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে—এসবের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে জ্ঞান, প্রযুক্তি, ইতিহাস এমনকি ক্ষমতার সম্পর্কও।
গত ৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিশ্ব মানচিত্রের উপস্থাপনা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। টোগোর উদ্যোগে এবং আফ্রিকান দেশগুলোর সমর্থনে উত্থাপিত ‘কারেক্ট দ্য ম্যাপ’ প্রস্তাবটি ১৬৪-১ ভোটে অনুমোদন পেয়েছে। এ প্রস্তাবের বিপক্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং ছয়টি দেশ (ইউক্রেন, জর্জিয়া, এস্তোনিয়া, লিথুয়ানিয়া, মলদোভা এবং সার্বিয়া) ভোটদানে বিরত ছিল। প্রস্তাবটির লক্ষ্য হলো, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলকে তাদের প্রকৃত আয়তনের তুলনামূলকভাবে যথাযথ অনুপাতে উপস্থাপন করা এবং বিশেষ করে আফ্রিকার আয়তনকে প্রচলিত মানচিত্রের তুলনায় বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরা। এতদিন ধরে গ্রিনল্যান্ডকে আফ্রিকা মহাদেশের চেয়েও বড় দেখাত, প্রকৃতপক্ষে আফ্রিকা (আয়তন: ১ কোটি ১৭ লাখ ২৪ হাজার বর্গমাইল) গ্রিনল্যান্ডের (আয়তন: ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩০ বর্গমাইল) প্রায় ১৪ গুণ বড়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ইউরোপকে তাদের প্রকৃত আয়তনের তুলনায় বড় করে দেখা যেত।
পৃথিবী গোলাকার। কিন্তু আমাদের বই, দেয়াল, সংবাদপত্র কিংবা কম্পিউটার স্ক্রিন সমতল। তাই একটি গোলাকার পৃথিবীর পৃষ্ঠকে সমতলে তুলে ধরতে গেলে কোনো না কোনো ধরনের বিকৃতি ঘটবেই। মানচিত্র অভিক্ষেপ হলো সেই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যা গোলাকার পৃথিবীকে সমতলে প্রতিস্থাপনের সময় বিকৃতিকে গাণিতিকভাবে পরিশুদ্ধ করে আমাদের একটি সুন্দর ও ব্যবহারযোগ্য মানচিত্র উপহার দেয়া। একটি অভিক্ষেপ একই সঙ্গে পৃথিবীর আয়তন, আকৃতি, দূরত্ব ও দিক—সবকিছু নিখুঁতভাবে ধরে রাখতে পারে না। একটি অভিক্ষেপ হয়তো আয়তনকে তুলনামূলকভাবে সঠিক রাখে, কিন্তু আকৃতিতে কিছু বিকৃতি আনে। অন্যটি দিক ও নেভিগেশনের জন্য খুব কার্যকর, কিন্তু আয়তনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিকৃতি তৈরি করে। এখানেই আসে ১৫৬৯ সালে মানচিত্রকর জেরার্ডস মার্কেটের তৈরি প্রথাগত ‘মার্কেটর প্রজেকশন’ বা অভিক্ষেপের প্রসঙ্গ। জেরার্ডস মার্কেটের তৈরি প্রজেকশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সমুদ্রপথে নেভিগেশনকে সহজ করা। এ প্রজেকশনে নির্দিষ্ট ধরনের দিকনির্দেশনা বজায় রাখা যায়, যা নাবিকদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর ছিল। ফলে ‘মার্কেটর প্রজেকশন’ শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নৌ-মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু সমস্যা শুরু হয় যখন নেভিগেশনের জন্য তৈরি একটি প্রজেকশনকে পৃথিবীর সামগ্রিক আয়তন বোঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। মার্কেটর প্রজেকশনে বিষুবরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর দিকে যেতে যেতে ভূখণ্ডের আকার ক্রমে বড় দেখায়। ফলে গ্রিনল্যান্ডের মতো উচ্চ অক্ষাংশের অঞ্চল বাস্তবের তুলনায় অনেক বড় দেখায়। অন্যদিকে বিষুবীয় অঞ্চলের বিশাল ভূখণ্ড তুলনামূলকভাবে ছোট মনে হতে পারে। সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ হলো আফ্রিকা ও গ্রিনল্যান্ডের আয়তনের প্রায় ১৪ গুণ পার্থক্য। কিন্তু মার্কেটর প্রজেকশন মানচিত্রে দুটিকে অনেকটা কাছাকাছি আকারের মনে হতে পারে। তবে ‘মার্কেটর প্রজেকশন’-কে ‘ভুল মানচিত্র’ বলা ঠিক হবে না। বরং বলা উচিত—এটি একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে তৈরি অভিক্ষেপ যার একটি নির্দিষ্ট ধরনের বিকৃতি রয়েছে। সম্প্রতি যে অভিক্ষেপ বা প্রজেকশন নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে, সেটি হলো ‘ইকুয়াল আর্থ’ যা ২০১৮ সালে এক দল মানচিত্রকর প্রজেকশনটি তৈরি করে। এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডের আপেক্ষিক আয়তন তুলনামূলকভাবে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয়। এখানে মূল পরিবর্তনটি হলো দৃষ্টিভঙ্গিতে। প্রশ্নটি আর শুধু ‘কোন দেশ কোথায়?’ নয়; বরং কোন ভূখণ্ড বাস্তবে কতটা বড়—এ বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে। ইকুয়াল আর্থ প্রজেকশনের ফলে আফ্রিকার প্রকৃত বিশালতা আরো স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। একইভাবে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা কিংবা গ্রিনল্যান্ডের আপেক্ষিক আয়তন সম্পর্কেও মানুষের প্রচলিত ধারণা সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয়। তবে এখানেও একটি সতর্কতা প্রয়োজন। ইকুয়াল আর্থও পৃথিবীর নিখুঁত প্রতিরূপ নয়। কারণ কোনো সমতল বিশ্ব মানচিত্রই গোলাকার পৃথিবীর সব বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে নিখুঁতভাবে দেখাতে পারে না। তাই ‘নতুন মানচিত্র মানেই সম্পূর্ণ নির্ভুল মানচিত্র’—এমন ধারণাও বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়, বরং ‘ইকুয়াল আর্থ’-এর প্রধান শক্তি হলো এরিয়া বা আয়তনের তুলনামূলক সঠিক উপস্থাপনা।
এখন প্রশ্ন, মানচিত্র কি মানুষের চিন্তাভাবনাও বদলায়? এখানেই বিষয়টি ভূগোলের সীমানা ছাড়িয়ে সমাজ ও রাজনীতির আলোচনায় প্রবেশ করে। একটি শিশু যখন ছোটবেলা থেকে এমন বিশ্ব মানচিত্র দেখে যেখানে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা তুলনামূলকভাবে বিশাল এবং আফ্রিকা তুলনামূলকভাবে ছোট দেখায়, তখন তার মনের ভেতর পৃথিবীর একটি নির্দিষ্ট স্থানিক ধারণা তৈরি হয়। সে হয়তো জানে না যে মানচিত্রে দেখা আকার বাস্তব আকার নয়। ফলে মানচিত্র ধীরে ধীরে তার ‘বিশ্বের মানসিক মানচিত্র’ তৈরি করে। এখানেই মানচিত্রের সামাজিক গুরুত্ব। আফ্রিকা শুধু একটি মহাদেশ নয়; এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। বিপুল জনসংখ্যা, অসংখ্য রাষ্ট্র, বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও দীর্ঘ ইতিহাসের অধিকারী এ মহাদেশকে যদি একটি অভিক্ষেপ বা প্রজেকশনের কারণে তুলনামূলকভাবে ছোট বলে মনে হয়, তাহলে মানুষের অবচেতন ধারণাতেও তার প্রভাব পড়তে পারে। এ কারণে আফ্রিকার দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে মানচিত্রের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিকে শুধু কার্টোগ্রাফির সমস্যা হিসেবে দেখেনি; বরং এটি তাদের পরিচয়, মর্যাদা ও বিশ্বে নিজেদের অবস্থান বোঝানোর সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক উদ্যোগ সেই বৃহত্তর বিতর্ককেই সামনে নিয়ে এসেছে। মার্কেটর প্রজেকশন ইউরোপীয় সামুদ্রিক অভিযানের যুগে তৈরি হয়েছিল—এটি সত্য। পরবর্তী সময়ে ইউরোপকেন্দ্রিক শিক্ষা ও বিশ্ব মানচিত্রের ব্যাপক ব্যবহারের কারণে এর একটি সাংস্কৃতিক প্রভাবও তৈরি হয়েছে। মার্কেটর প্রজেকশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট কার্টোগ্রাফিক সমস্যার সমাধান। নেভিগেশনের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা এখনো গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রস্তাবও মার্কেটর প্রজেকশনকে নৌ ও আকাশপথের নেভিগেশনে নিষিদ্ধ করছে না। প্রস্তাবটি মূলত বিশ্বকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ইকুয়াল এরিয়া প্রজেকশনের ব্যবহারকে উৎসাহিত করছে এবং এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলকও নয়। সুতরাং একটি মানচিত্রকে তার উদ্দেশ্য অনুযায়ী বিচার করতে হবে।
বাংলাদেশের মতো একটি দেশ, যা পৃথিবীর বৃহৎ ভূখণ্ডের তুলনায় আয়তনে ছোট হলেও জনসংখ্যা, অর্থনীতি, নদী, বদ্বীপ, জলবায়ু ও ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তার জন্য ম্যাপ লিটারেসি বা মানচিত্র সাক্ষরতা বিশেষ প্রয়োজন। আমাদের স্কুলের শিক্ষার্থীরা যেন শুধু দেশগুলোর নাম মুখস্থ না করে; বরং বুঝতে শেখে—কেন একটি মানচিত্রে গ্রিনল্যান্ড বড় দেখায়, কেন আফ্রিকার আকৃতি ও আয়তন ভিন্ন অভিক্ষেপে ভিন্নভাবে দেখা যায়, কেন মেরুর কাছে বিচ্যুতি বা ডিশর্টশন বেশি হয় এবং কেন ভিন্ন কাজে ভিন্ন অভিক্ষেপ ব্যবহার করা হয়। একজন শিক্ষার্থী যদি বুঝতে পারে যে মানচিত্র হলো বাস্তব পৃথিবীর একটি নির্বাচিত ও রূপান্তরিত উপস্থাপনা, তাহলে সে মানচিত্রকে শুধু মুখস্থ করার বস্তু হিসেবে দেখবে না; বরং সমালোচনামূলকভাবে পড়তে শিখবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও বিষয়টি আরো গুরুত্বের সঙ্গে শেখানো প্রয়োজন। বিশেষ করে ভূগোল ও পরিবেশ, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, জিআইএস, রিমোট সেনসিংয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অভিক্ষেপের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বোঝা অপরিহার্য। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক উদ্যোগের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সম্ভবত একটি নতুন ম্যাপ প্রজেকশন গ্রহণ করা নয়, বরং শিক্ষা হলো আমরা পৃথিবীকে কীভাবে দেখি, সেটি নিয়ে প্রশ্ন করার প্রয়োজন আছে। মানচিত্র আমাদের পৃথিবীকে বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু একই সঙ্গে মানচিত্র আমাদের পৃথিবী সম্পর্কে ধারণাও তৈরি করে। তাই মানচিত্রের প্রতিটি রেখা, রঙ, আকার ও অবস্থান নিরপেক্ষ অর্থ বহন করে। আমাদের মনে রাখা দরকার—আফ্রিকা নতুন করে বড় হয়নি; গ্রিনল্যান্ড ছোট হয়নি; ইউরোপের আয়তন কমেনি। পরিবর্তন হয়েছে পৃথিবীকে কাগজে দেখানোর পদ্ধতিতে। একজন ভূগোলবিদ হিসেবে আমরা মনে করি, পৃথিবীর মানচিত্রকে ঘিরে এ নতুন বিতর্ক বাংলাদেশের জন্যও একটি বড় শিক্ষার সুযোগ। আমাদের স্কুলের দেয়ালে, পাঠ্যবইয়ে, সংবাদমাধ্যমে এবং ডিজিটাল প্লাটফর্মে ব্যবহৃত বিশ্ব মানচিত্রের দিকে নতুন করে তাকানো দরকার। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শেখাতে হবে যে কোনো অভিক্ষেপ বা প্রজেকশনই সম্পূর্ণ নির্ভুল নয় এবং মানচিত্র পড়তে হলে তার উদ্দেশ্য, সীমাবদ্ধতা ও বিকৃতি বুঝতে হয়। একটি ভালো মানচিত্র শুধু ভূখণ্ডের অবস্থান জানায় না; এটি আমাদের পৃথিবীর বৈচিত্র্য, ভারসাম্য এবং বাস্তব আকার সম্পর্কে সচেতন করে। আর সেই অর্থে মানচিত্র সংশোধনের এ উদ্যোগ আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য নতুন করে তুলে ধরেছে—পৃথিবী বদলায়নি, কিন্তু পৃথিবীকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছে।
ড. মো. ইকবাল সরোয়ার: অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
হোসাইন আল মাহবুব: প্রভাষক, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়





