২০২৭ সালে ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, গ্রিস, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এসব নির্বাচন জাতীয় হলেও এর ফলাফল হবে ইউরোপীয়। কারণ প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, অভিবাসন, শিল্পনীতি, ইউক্রেন ও প্রযুক্তি বিষয়ে একটি দেশের সিদ্ধান্ত অন্য দেশগুলোকেও প্রভাবিত করে। ফলে মৌলিক প্রশ্ন হলো—আমরা কি নিজেদের ভবিষ্যতের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখব, নাকি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অন্যদের হাতে ছেড়ে দেব?

যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদের প্রতি প্রতিশ্রুতি কমিয়ে আনছে। একই সঙ্গে জ্বালানি, প্রযুক্তি, অর্থ ও সরবরাহ ব্যবস্থা ক্রমেই ক্ষমতা প্রয়োগের হাতিয়ার হয়ে উঠছে। এ বাস্তবতায় ইউরোপকে শুধু প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ালেই চলবে না; ইউক্রেনকে সমর্থন, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন রক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং সামরিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত, জ্বালানি ও শিল্পগত স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে হবে। ইউরোপের প্রয়োজনীয় সক্ষমতার অনেক উপাদান এরই মধ্যে রয়েছে। কিন্তু সেগুলোকে সমন্বিত শক্তিতে রূপান্তর করা যায়নি। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত সাম্রাজ্যবাদী নয়, বরং গণতান্ত্রিক, সার্বভৌম ও শক্তিশালী একটি ইউরোপ।

গিয়োম ক্লোসা: ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের সাবেক এআই-বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা

ক্যাথরিন ট্রটম্যান: ফ্রান্সের সাবেক সংস্কৃতি ও যোগাযোগমন্ত্রী

স্লাভয় জিজেক: দার্শনিক ও তাত্ত্বিক