তাবাসসুম মাহমুদা, পেশায় একজন এনজিও কর্মী। সম্প্রতি তিনি ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার থেকে ব্রেস্ট ক্যান্সারজনিত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারে নিজের চিকিৎসা সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তাবাসসুম মাহমুদা। তার অনুমতি সাপেক্ষে মতামতটি এখানে প্রকাশ করা হচ্ছে। এনজিও কর্মী তাবাসসুম মাহমুদা বলেন, ‘‌আমার নাম তাবাসসুম মাহমুদা। বর্তমানে আমি ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালে আটটি কেমোথেরাপি নিয়েছি এবং বর্তমানে রেডিয়েশন নিচ্ছি, সেটাও প্রায় শেষের পথে। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালের কেমো দেয়ার যে মেশিনটা সেটা আমার খুব ভালো লেগেছে। কারণ কোনো সমস্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেশিনটা সিগন্যাল দেয়। এজন্য আমি মনে করেছি আমার কোনো ঝুঁকি নেই। এজন্য এই হাসপাতাল থেকেই আমি আটটা কেমো শেষ করেছি। বর্তমানে যে রেডিয়েশন নিচ্ছি সেটারও সার্ভিস খুব ভালো লেগেছে। এখন আমার ১৭ নাম্বার রেডিয়েশন চলছে। আর দুটো হলে সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। অন্যান্য হাসপাতালের চেয়ে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালের ব্যয় তুলনামূলক কমই আছে। বর্তমানে এটি একটি আধুনিক হাসপাতাল। আমি মনে করি ভবিষ্যতে এটি দেশের ভালো একটি ক্যান্সার হাসপাতাল হবে।’ তাবাসসুম মাহমুদা আরো বলেন, ‘‌মানুষ মরণশীল অর্থাৎ মানুষ মরবেই কিন্তু এটা ভাবলে হবে না আমার ক্যান্সার হয়েছে আমি এখনই মারা যাব। সেই ভাবনাটা আসলে ভুল। ক্যান্সারের অনেক আধুনিক চিকিৎসা বের হয়েছে, অনেক আধুনিক হাসপাতাল হয়েছে। আমি কিন্তু বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। কিন্তু পরে বিদেশ যাওয়ার জন্য সময় নষ্ট হবে ভেবে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা নিই, কারণ হাসপাতালটা আমার অনেক ভালো লেগেছে। আমি চাইব অদূরভবিষ্যতে যেন এ হাসপাতাল আরো ভালো হয়, যেন ক্যান্সার রোগীদের আরো ভালো সেবা দিতে পারে, যাতে বাংলাদেশের রোগীদের বিদেশমুখী না হতে হয়। ক্যান্সার হয়ে গেলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ছড়িয়ে যায়। এ মূল্যবান সময়টা কোথায় যাব, কীভাবে ট্রিটমেন্ট নেব—এসব ভেবে সময় নষ্ট না করে দেশের মধ্যে ভালো হাসপাতাল আছে, সেখানে যাওয়া উচিত রোগীদের। বিশেষ করে আমি মনে করি এই সময়টায় ল্যাবএইড আধুনিক ক্যান্সার হাসপাতালে ক্যান্সার রোগীরা চিকিৎসা নিতে পারেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘‌ল্যাবএইডে ক্যান্সার হাসপাতালের চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট সব নার্স-ডাক্তার এমনকি টেকনিশিয়ান থেকে শুরু করে প্রত্যেক কর্মীই খুব আন্তরিক। ল্যাবএইড ক্যান্সারে চিকিৎসাসেবা নিয়ে আমি শতভাগ সন্তুষ্ট। আমি ক্যান্সারের দ্বিতীয় স্টেজে ছিলাম। এখন অনেক ভালো আছি, সুস্থ আছি এবং আমি আমার কর্মজীবন চালিয়ে যাচ্ছি।’