রাজধানী ঢাকায় নিরাপদ ও জনবান্ধব স্যানিটেশন, ড্রেনেজ ও পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ফেলোরা। তারা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনের পাশের গণশৌচাগারটি দ্রুত মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের আহ্বান জানান।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘ঢাকা শহরে জনবান্ধব স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতে বহুদলীয় উদ্যোগ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চার মাসব্যাপী ‘ইয়াং লিডারস ফেলোশিপ প্রোগ্রাম’ এর অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরুণ নেতারা। এর অংশ হিসেবে গত ১৪ আগস্ট ২২৪ জন নাগরিকের স্বাক্ষরসহ একটি স্মারকলিপি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বরাবর জমা দেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় যুবশক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী বলেন, স্মারকলিপি দেয়ার পরও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম স্মারকলিপি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, গণশৌচাগার সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু দুমাস পেরোলেও বাস্তবে তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. গোলাম মোস্তফা, জাতীয় যুবশক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব ইনজামুল হক, ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মৌসুমী শেখ, দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকেয়া জাবেদ মায়া ও ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আনিকা আনজুম অর্ণি।
আয়োজকরা জানান, ড্রেনেজ, পয়োনিষ্কাশন ও শৌচাগারব্যবস্থা একটি নগর সভ্যতার অন্যতম ভিত্তি। এটি নাগরিক জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলোর একটি হলেও রাজধানী ঢাকায় স্যানিটেশন ব্যবস্থা নাজুক অবস্থায় আছে। এ বাস্তবতা বদলাতে তারা বহুদলীয় রাজনৈতিক সচেতনতা ও জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ নিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা নগরীর গণশৌচাগারগুলো সংস্কার, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে নারী ও সাধারণ নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও ব্যবহারোপযোগী করে গড়ে তোলার দাবি জানান। পাশাপাশি নতুন গণশৌচাগার স্থাপন, ড্রেনেজ ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং এসব কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমসহ সব অংশীদারের ইতিবাচক ভূমিকা কামনা করেন তারা।










