যশোর ও খুলনার ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা দূর করতে সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি নদীর ৮১ দশমিক ৫ কিলোমিটার পুনঃখনন করা হবে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে। আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পান্থপথে পানি ভবনে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন যশোর পানি উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক বি. এম. আব্দুল মোমিন। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল মামুন উর রশিদ।

প্রকল্পটির চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল মামুন উর রশিদ ও যশোর পানি উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক বি. এম. আব্দুল মোমিন
প্রকল্পের আওতায় যশোর ও খুলনার হরিহর নদী ৩৫ কিলোমিটার, হরি-তেলিগাতি নদী ২০ কিলোমিটার, আপারভদ্রা নদী ১৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার, টেকা নদী ৭ কিলোমিটার ও শ্রী নদী ১ কিলোমিটার পুনঃখনন করা হবে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার ৯৯৮ দশমিক ১৯ লক্ষ টাকা। সরকারের নির্দেশনায় সেনাবাহিনী অর্পিত ক্রয়কার্য পদ্ধতিতে কাজটি বাস্তবায়ন করবে।
নদী খননের পাশাপাশি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন, খননকৃত মাটি সংরক্ষণ ও স্থানীয় জনগণের চলাচলের জন্য রাস্তা হিসেবে ব্যবহারযোগ্য করা হবে। পরিবেশবান্ধব পুনঃখনন নিশ্চিত করতে টার্ফিং ও বৃক্ষরোপণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. এনায়েত উল্লাহ বলেন, ভবদহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে বর্তমান সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ড যৌথভাবে কাজটি বাস্তবায়ন ও তদারকি করবে। কাজ শেষ হলে এলাকায় বড় পরিবর্তন আসবে।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাপাউবোর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর স্টাফ অফিসার লে. কর্নেল তানভীর আহমেদ, যশোর পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী ও সেনাবাহিনীর প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর গাজী নাজমুল হাসান।










