মানব জিনতত্ত্বের গবেষণায় যুগান্তকারী ডিএনএ ডাবল হেলিক্স কাঠামোর সহ-আবিষ্কারক বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসন মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। তার ছেলে জানিয়েছেন, ওয়াটসন স্বল্প অসুস্থতার পর হসপিস কেয়ারে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খবর নিউ ইয়র্ক টাইমস।
ডিএনএর গঠন আবিষ্কারের জন্য ওয়াটসন ১৯৬২ সালে সহকর্মী ফ্রান্সিস ক্রিক ও মরিস উইলকিন্স-এর সঙ্গে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
ডিএনএর গঠন আবিষ্কারের মাধ্যমে জেনেটিক পরিবর্তন, বংশগত রোগের চিকিৎসা এবং অপরাধবিজ্ঞানে ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবহারসহ অসংখ্য গবেষণার পথ উন্মুক্ত হয়। ডিএনএর সর্পিল সিঁড়ি-আকৃতির গঠন আজ বিজ্ঞানচর্চার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
তবে ওয়াটসনের জীবন বিতর্কমুক্ত ছিল না। ২০০৭ সালে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, কৃষ্ণাঙ্গদের বুদ্ধিমত্তা শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় জেনেটিকভাবে কম। তার এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্ষোভের জন্ম দেয়। এর ফলে তিনি কোল্ড স্প্রিং হারবার ল্যাবরেটরির চ্যান্সেলর পদ হারান।
২০১৯ সালের এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার সেই মতামত পরিবর্তিত হয়নি। ল্যাবরেটরি তখন তার বক্তব্যকে ‘বিজ্ঞানবিরোধী ও নিন্দনীয়’ বলে বিবৃতি দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের তৎকালীন পরিচালক ফ্রান্সিস কলিন্স তখন বলেন, ‘সমাজ ও মানবতা সম্পর্কে ওয়াটসনের দৃষ্টিভঙ্গি তার বৈজ্ঞানিক প্রতিভার সমান হলে সেটা হতো মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ।‘












