একটা অস্থির কাল অতিক্রম করছে সময়,
তাই সব ছিঁড়ে ফুঁড়ে বেরিয়ে যেতে হবে
প্রণয়ের বিশ্বাসী বিছানা নেই বলে— এই হাহাকার।
তবু প্রতিদিন প্যান্টে গুঁজে থাকা শার্ট ঘাম আর বৃষ্টিতে মাখামাখি
ছোট্ট দ্বিতল বাসে পাঁচশ নরের মাঝে সত্তরজন গর্ভধারিণী।
এত কিছুর পরও ‘মানুষ-পুরুষ’ আর সকল নারী নিয়মের হাসি হাসে।
এর চেয়ে ভণিতার গল্প আর কী হতে পারে...
এখন অবশ্যই অস্থির কাল অতিক্রম করছে মানুষ
কবিতায় পুড়ে যাবার এখনই শ্রেষ্ঠ সময়।
আমার অসহ্য লাগে
গণের মাধ্যম প্রেসনোট খেয়ে কী করে বাঁচে
ক’টা কান্না ঠিকঠাক ছাপা হয়, কে বলতে পারে।
একটা মানচিত্রই তো আমাদের মুঠোয়
তবু কেন যে প্রান্তে যাই রক্ত
রক্ত আর রক্তের ভয়ানক বিচ্ছুরণ
সারাক্ষণ সীমানা প্রান্তগুলো কেন বাজপাখির আর্তনাদে কেঁপে ওঠে,
কী দোষ করেছিল তারা। মানুষ নামের যারা।
মানুষের ভেলা তাই ভাসে সোমেশ্বরী নদীর ধারে
অথবা
নীল নদের হাঙর ঘুরে বেড়ায় মরা মানুষের ঘাড়ে।
এর বুঝি শেষ নেই...!
অসংখ্য ফুলকলি এখনো কেন ডাকে আমায়
এখনো কেন মাঝে মাঝে মাঝরাতে
ব্রোথেল ডাক দেয়, শঙ্খ বাজে
পিতাহীন অসংখ্য শিশুর লাগি।
এরও বুঝি শেষ নেই...
শুনুন, সইতে শিখেছি গুনতে জেনেছি মৃত্যুর ক্ষণ
বেওয়ারিশ হবার ভয় আছে আবার নেই বলে-
মন্তব্য তাই নিষ্প্রয়োজন...।






