‘১০০ বছর আগে কবিগুরু আসামের করিমগঞ্জকে শ্রীভূমি বা লক্ষ্মীর ভূমি হিসেবে অবিহিত করেছেন। আসামের মন্ত্রিসভা সে দীর্ঘ প্রত্যাশাকে পূর্ণতা দিচ্ছে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে মন্ত্রিসভা করিমগঞ্জের নাম শ্রীভূমি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা যখন এ ঘোষণা দিলেন, ততক্ষণে করিমগঞ্জের নাম বদলে শ্রীভূমি করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে গেছে। ২১ নভেম্বর, ২০২৪ সালের পর করিমগঞ্জের নাম আনুষ্ঠানিকভাবেই শ্রীভূমি করা হয়েছে। এর আগেও বেশকিছু নাম বদল হয়েছে আসামের; পরবর্তী দিনগুলোয়ও যে ঘটবে, তার ইশারাও পাওয়া গেছে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। তার আপত্তি করিমগঞ্জ নামের সঙ্গে আসামের ঐতিহাসিক ও ভাষিক কোনো যোগাযোগ নেই। অথচ করিমগঞ্জ নামটি এসেছে আসামের সুফি শাহ আবদুল করিমের নাম থেকে। তার খানকাহ ছিল শহরের কাছাকাছি বনমালি এলাকার পাহাড়ের শীর্ষে। এখনো হাদারগ্রামে অবস্থিত রয়েছে তার মাজার। মানুষ বিভিন্ন স্থান থেকে তার মাজারে জিয়ারত করতে যায়। মুসলমানদের উৎসবের দিনগুলোয় ভিড় বাড়ে মাজার চত্বরে। ১৯৪৭ সালে ধোঁয়াশাপূর্ণ সিদ্ধান্তে করিমগঞ্জকে বাংলা থেকে রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে; ২১ নভেম্বরের সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে বদলে ফেলা হলো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শেকড়। অথচ করিমগঞ্জ কেবল শাহ আবদুল করিম না, বহু সুফির পদচারণে শতাব্দীর পর শতাব্দী মুখর।
বাংলা অঞ্চলের তমদ্দুনিক কাঠামো নির্মাণে সুফিদের যে তাসির, তা হাল আমলেও সিলেট ও চট্টগ্রামে গভীরভাবে নজরে আসে। সিলেটের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ইতিহাসের কারণে করিমগঞ্জ বরাবরই ছিল সুফিবাদের উর্বর পাটাতন। বিভিন্ন সময়ে সুফিরা করিমগঞ্জের মাটিতে পা রেখেছেন; সেখানে পরিচিত করেছেন ইসলামের নাম ও নিশান। ১৯৪৭ সালে রাজনৈতিক সমীকরণের জেরে করিমগঞ্জ সিলেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আসামে যুক্ত হলেও সে আধ্যাত্মিক সিলসিলা এখনো সমুজ্জ্বল। শাহ জালাল মুজাররাদ, শাহ বদর ও খাজা হাসানের মতো সুফিদের জীবন ও অলৌকিক কার্যক্রম নিয়ে এখনো কিংবদন্তি ছড়িয়ে আছে করিমগঞ্জের জনমানসে।
করিমগঞ্জ জেলায় অধিকাংশ সুফি এসেছিলেন মুসলিম সেনাবাহিনীর সঙ্গে। পরে তাদের অনেকেই এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন, কেউ কেউ ফিরে যান নিজ ভূমিতে। যারা এখানে স্থায়ীভাবে অবস্থান করেছিলেন, তারা ইসলামের প্রচার ও প্রসারে কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে তাদের বসবাসের স্থানগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। পরিণত হয় দরগাহ বা খানকাহ। ধারাবাহিকভাবে নাম নেয়া হলে সে তালিকা নেহায়েত ছোট হবে না।
শাহ বদরুদ্দিন
শাহ বদরুদ্দিন আসামের সবচেয়ে প্রভাবশালী সুফিদের একজন। তিনি ছিলেন আরবের বাসিন্দা। শাহ জালালের সঙ্গে বাংলায় আসেন এবং গৌড় গোবিন্দের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন। সিলেট বিজয়ের পর শাহ জালাল তাকে সৈয়দ নাসির উদ্দিনের সঙ্গে পাঠান, যাতে তারা তারাফের রাজা আচক নারায়ণের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। তারাফ জয়লাভের পর হজরত শাহ জালাল তাকে করিমগঞ্জে ইসলাম প্রচারে নিয়োগ করেন। করিমগঞ্জ ও বরাক উপত্যকায় প্রচুরসংখ্যক মুসলমানের উপস্থিতি শাহ বদর এবং তার অনুসারীদের প্রভাব নির্দেশ করে। তার কবর করিমগঞ্জ জেলার বদরপুরের ডাকবাংলোয় অবস্থিত ছিল, কিন্তু বরাক নদীর ভাঙনের কারণে কবরটি ধুয়ে যায়। নৌকাচালক ও জেলেরা তার কবর পার হওয়ার সময় এখনো তার নাম স্মরণ করে সম্মান প্রদর্শন করেন। বদরপুরের নামটাই শাহ বদরের স্মৃতিচিহ্ন বহন করে আছে।
শাহ আদম খাকি
শাহ জালালের সিলেট বিজয়ের সময় তার সঙ্গে আসেন শাহ আদম খাকি। পরে ওস্তাদের নির্দেশে করিমগঞ্জকে বেছে নেন কাজের স্থান হিসেবে। করিমগঞ্জ ও বদরপুরের বৃহত্তর এলাকায় তার দরগাহ অবস্থিত। সম্ভবত অঞ্চলটিই তার কাজের স্থান ছিল।
শেখ সিকান্দর
শেখ সিকান্দরও ছিলেন শাহ জালালের সঙ্গী। তিনি ইসলাম প্রচারে বরাক উপত্যকায় স্থায়ী হন। তার কবর বরাক নদীর ধারে অবস্থিত ছিল, কিন্তু নদীপ্রবাহের কারণে হারিয়ে যায়।
শাহ জিয়াউদ্দিন
শাহ জিয়াউদ্দিন ইয়েমেনের বাসিন্দা ছিলেন। সেখান থেকে তিনি শাহ জালালের সঙ্গে যোগ দেন। তিনি করিমগঞ্জের বদরপুর গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার জন্য মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠিত সে মাদ্রাসা ও মসজিদ বরাক নদীর ভাঙনে ধ্বংস হয়ে যায়। ধুয়ে যায় তার কবরটিও।
শাহ আবদুল মালিক
শাহ আবদুল মালিক হজরত শাহ জালালের একজন শিষ্য। তিনি শাহ জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান ও প্রচার কাজ পরিচালনা করেন। শাহ আবদুল মালিক তার পুরো জীবন ইসলাম প্রচারের কাজে উৎসর্গ করেন। তার দরগাহ বদরপুর বাজারের কাছে অবস্থিত। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ তার দরগাহকে সম্মান করে।
আসিম শাহ
আসিমগঞ্জ হলো করিমগঞ্জ জেলার একটি গ্রাম। জানা যায়, আসিম শাহ দক্ষিণ ঢাকা থেকে আসিমগঞ্জে এসেছিলেন। প্রথমে তিনি আসিমগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে থাকতেন। সেখানে তিনি হজরত শাহ জালালের শিষ্য খাজা হাসানের কবরস্থান সংস্কার করেছিলেন। আসিমগঞ্জের নামই তার নামানুসারে হয়েছে। বৃহত্তর আসিমগঞ্জের উন্নয়নে তিনি মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। আসিমগঞ্জ বাজার, আসিমিয়া এমই মাদ্রাসা, আসিমিয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ও তার নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি হজ পালন করতে মক্কায় যান, কিন্তু আর ফিরে আসেননি।
খাজা হাসান
শাহ জালালের সঙ্গে আসা ৩৬০ জন আউলিয়াদের একজন ছিলেন ছিলেন খাজা হাসান। করিমগঞ্জের হাতখালা গ্রামে হজরত খাজা হাসানের মোকাম ও কবরস্থান অবস্থিত। এখনো অনেক মানুষ তার কবর পরিদর্শন করতে আসে। এখানে একটি মাদ্রাসা ও মসজিদও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
পির মৌলভি
বিসকুট আসামের করিমগঞ্জ জেলার একটি গ্রাম। সতেরো শতাব্দীতে একটি অচেনা বালক এ গ্রামে আসেন। মানুষ শিগগিরই বুঝতে পারে ছেলেটির অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতা সম্পর্কে। তাকে পাশের টিলায় একটি জমি দেয়া হয়। তিনি সেখানে থাকতে শুরু করেন, কয়েক মাস পরে সে টিলায় একটি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেন। শিগগিরই তিনি পরিচিতি পান পির মৌলভি নামে। একদিন রহস্যজনকভাবে তিনি উধাও হয়ে যান। লোকেরা তার কাপড় সংগ্রহ করে এবং সেগুলো একটি কবরে রাখে। এখনো সেখানে একটি মসজিদ আছে এবং মসজিদের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে আছে তার মোকাম।
শাহ মনাফ মোনাইশাহ
শাহ জালালের শিষ্যদের একজন ছিলেন আবদুল মনাফ মোনাইশাহ। তিনি করিমগঞ্জ জেলার মনশাঙ্গনের উত্তরে বসবাস করতেন। তিনি অনেক মানুষকে ইসলামের দিকে আহ্বান করেছিলেন। চিরকুমার আবদুল মনাফ মোনাইশাহের পবিত্র কবরস্থান মনশাঙ্গনে অবস্থিত। জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ নির্বিশেষে অনেক মানুষ তার কবরস্থানে প্রার্থনার জন্য আসে।
সৈয়দ খাজা আম্বর শাহ আমনি
খাজা আম্বর শাহ আমনি ছিলেন খাজা মইন উদ্দিন চিশতির ভাতিজা। তিনি শাহ জালালের সঙ্গে সিলেট আসেন। পরে বসবাস শুরু করেন করিমগঞ্জে। তার প্রার্থনার স্থানটি দক্ষিণ বদরপুরের বাসলা বাজারে অবস্থিত। তার কবরস্থান লামারখালা গ্রামে অবস্থিত, তার ইবাদতের স্থান থেকে এক কিলোমিটার দূরে।
শাহ আবদুল করিম
তার জন্ম ও করিমগঞ্জে আগমন নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। তবে এটা জানা যায়, তার খানকাহ ছিল করিমগঞ্জ শহরের কাছাকাছি বনমালি এলাকার এক পাহাড়ের শীর্ষে। শাহ আবদুল করিমের খানকাহের পাশে ঈদগাহ রয়েছে। আশপাশের গ্রামগুলোর মানুষ এখানে ঈদের নামাজ পড়ে। করিমগঞ্জ জেলার নামটাই মূলত তার নাম থেকে আসা। হাদারগ্রামে রয়েছে তার মাজার। মানুষ বিভিন্ন স্থান থেকে তার মাজারে জিয়ারত করতে যায়।
শাহ আবদুল্লাহ
করিমগঞ্জ জেলায় নিলামবাজারের কাছে অবস্থিত আবদুল্লাপুর একটি গ্রাম। গ্রামের নামটি এসেছে পির শাহ আবদুল্লাহর নাম থেকে। তার পিতা তাজউদ্দিন সিদ্দিকী কুরেশি ছিলেন শাহ জালালের একজন অনুসারী। তার পবিত্র মাজার বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলায় রয়েছে। শাহ আবদুল্লাহ ও পুত্র শাহ আতাবুল্লাহর মাজার আবদুল্লাপুরে রয়েছে।
মাওলানা মোজাইদ উদ্দিন চৌধুরী
১৮৬৩ সালে করিমগঞ্জ জেলার মালুয়া গ্রামের চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মাওলানা মোজাইদ উদ্দিন চৌধুরী। মৃত্যুবরণ করেন ১৮ জুন, ১৯৪১ সালে। তার মাজার স্থানীয় মসজিদের পাশে অবস্থিত। তিনি উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে বিদেশে গিয়েছিলেন। সরকার তাকে সামসুল উলমা উপাধি প্রদান করে। লিখেছেন বেশকিছু বই। দুটি উচ্চ শিক্ষিত পুত্র ছিল তার, গোলাম মওলা চৌধুরী ও গোলাম ইয়াহিয়া চৌধুরী। প্রতিটি শুক্রবার মানুষ তার মাজারে ভিড় জমিয়ে ইবাদত করে।
মাওলানা নাজিব আলী চৌধুরী
মাওলানা নাজিব আলী চৌধুরী ছিলেন শাহ ওমরের বংশধর। শাহ ওমর ছিলেন শাহ জালালের ৩৬০ সঙ্গীদের একজন। তিনি করিমগঞ্জ জেলার বাগবাড়ী মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান ছিলেন। করিমগঞ্জের মাওলানা গোলাম রব চৌধুরী ছিলেন তার পুত্র। মাওলানা নাজিব আলী চৌধুরীর নাতি আবদুল মুনিম চৌধুরী একসময় দক্ষিণ করিমগঞ্জ আসনের এমএলএ নির্বাচিত হন। তার মাজার করিমগঞ্জ জেলার রউতগ্রামে রয়েছে।
হজরত কানু শাহ
করিমগঞ্জ জেলার রাতাবাড়ী থানার সরকারিবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কানু ভুটু্। অলৌকিক কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি কানু শাহ নামে পরিচিত। তার পিতা ছিলেন দানিশ মোহাম্মদ ও মা জয়তুন বিবি। কানু শাহ ১৯১১ সালে প্রায় ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তার পূর্বপুরুষরা আসলে শ্রীহট্ট জেলার জয়ন্তীয়া অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। তাকে নিয়ে অনেক অলৌকিক কথা প্রচলিত আছে। কখনো কখনো তাকে শানবিলের পানির ওপর হাঁটতে দেখা যেত কাঠের জুতা পরা অবস্থায়। নৌকা চালক ও মানুষ তাকে তাদের নৌকায় উঠতে দিতে চাইতেন না, কারণ তিনি শানবিলের মধ্যে নৌকা ডুবানোর চেষ্টা করতেন। তবে তাকে দেখা যেত গন্তব্যে নৌকা পৌঁছানোর আগেই পৌঁছে গিয়েছেন। তার এসব অলৌকিক কর্মকাণ্ড মানুষের মধ্যে তার প্রতি গভীর আস্থা ও শ্রদ্ধা তৈরি করেছিল। তার মোকাম দুহালিয়ার পাদদেশে শানবিলের পশ্চিম তীরে বাজারঘাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে কাছে অবস্থিত।
কারি নাজিব আলী
কারি নাজিব আলী ১৮৬৭ সালে আসামের করিমগঞ্জ জেলার সিংগারিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুবরণ করেন ১৯৪৭ সালে। মাওলানা আবু বকর ছিলেন তার আধ্যাত্মিক গুরু। তার শিক্ষাজীবন ছিল সিলেটে। তার আধ্যাত্মিক গুরু পরামর্শেই তিনি মক্কা যান এবং ওয়াইসিয়া তরিকার পির মাওলানা শাহ সুফি আব্দুল হক মুত্তি মাদানির শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। তার জীবনযাত্রা, কথাবার্তা, গতিবিধি ইত্যাদি পূর্ণ ছিল রহস্যাবৃত। তাকে অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে বিশ্বাস করা হতো। তার মাজার অবস্থিত সিংগারিয়া গ্রামে।
সুফিরা রাজনৈতিক ঘটনার প্রতি কেবল দর্শক হিসেবে থাকেননি, বরং তারা সমাজ ও রাষ্ট্রকে সহযোগিতার জন্য কাজ করেছেন। ফলে সুফি সাধক, সমাজ ও রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক কাঠামো তৈরি করেছে। করিমগঞ্জে সুফিবাদ ছড়িয়ে পড়ার ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সংযোজন করেছে এ অঞ্চলের ধর্মীয়, সামাজিক-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে। সুফি ও তাদের শিষ্যরা যে শান্তি, সমতা ও ভ্রাতৃত্ব প্রকাশ করেছিলেন, যা নিজেদের জীবনে চর্চা করে গেছেন, তা দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলার মতো করিমগঞ্জেও ইসলামের প্রসারে অবদান রেখেছে।
আহমেদ দীন রুমি: সহসম্পাদক, বণিক বার্তা









