আবারো হৃদয় ভাঙল ইংলিশদের।
২০২১ সালে ওয়েম্বলিতে ইউরোর ফাইনালে টাইব্রেকারে ইতালির কাছে হেরে তীরে এসে তরী ডোবে
গ্যারেথ সাউথগেটের দলের। আবারো ফাইনালে হারল তারা। রোববার দিবাগত রাত ১টায় শুরু হওয়া
১৭তম ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ২-১ গোলে হারল ইংলিশরা। এটা স্পেনের
চতুর্থ ইউরোপিয়ান মুকুট। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের প্রথম ইউরোপিয়ান মুকুট জয়ের অপেক্ষা
আরো বাড়ল।
ম্যাড়মেড়ে প্রথমার্ধ শেষে
দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পরপরই দারুণ এক গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন ২১ বছর বয়সী ফরওয়ার্ড
নিকো উইলিয়ামস। সদ্যই ১৭ বছরে পা দেয়া লামিনে ইয়ামালের পাস থেকে গোলটি করেন তিনি। দুই
তরুণের যুগলবন্দিতে এগিয়ে যায় স্পেন। ৭৩ মিনিটে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান বদলি খেলোয়াড়
কোল পালমার। জুড বেলিংহামের পাস থেকে বুলেট গতির শটে তিনি গোলটি করেন। ম্যাচে প্রাণ
ফেরায় ওই গোলটি, আশা জাগায় ইংল্যান্ডের। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াচ্ছিল তখন
ইংলিশ শিবিরে বজ্রাঘাত। ৮৬ মিনিটে গোল করে বসেন স্পেনের বদলি খেলোয়াড় মিকেল ওয়ারজাবাল।
বাম দিক থেকে ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়ার বাড়ানো ক্রসে স্লাইড করে গোলটি করেন তিনি।
বার্লিন অলিম্পিক স্টেডিয়ামে
ফাইনালের প্রথমার্ধে স্পেন আধিপত্য করলেও কোনো গোল আয় করে নিতে পারেনি। গোল পায়নি ইংল্যান্ডও।
প্রথমার্ধে ৬৯.২ শতাংশ
বল দখলে রাখেন স্পেনের খেলোয়াড়রা, বাকি ৩০.৮ শতাংশ ছিল ইংলিশদের। প্রথমার্ধে দুই দল
মিলে মাত্র ৮টি শট নিতে সমর্থ হয়। এর মধ্যে স্পেন ৫টি আর ইংল্যান্ড তিনটি শট নিয়েছে।
উভয় দল মাত্র একটি করে শট লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে। স্পেন ছয়টি কর্নার আদায় করে নিতে পারলেও
ইংল্যান্ড প্রথমার্ধে মাত্র একটি কর্নার পায়।
ম্যাচে স্পেনের দখলে ছিল
৬৫.১ শতাংশ বল। তাদের ১৬টি শটের বিপরীতে ইংলিশরা ৯টি শট নিতে সমর্থ হয়।
এর আগে ১৯৬৮, ২০০৮ ও ২০১২
সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা জয় করে স্পেন।










