আসন্ন ঈদুল আজহায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ৮ লাখ ৭৯ হাজার গবাদি পশু প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক ডা. সুখেন্দু শেখর গায়েন বলেন, খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে বিভাগে এবার ৮ লাখ ৭৯ হাজার ২৫১টি গবাদি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ষাঁড়, বলদ, গাভী (বাচ্চা উৎপাদনে অক্ষম), ছাগল, ভেড়া ও মহিষ।
যার মধ্যে খুলনায় রয়েছে ৩৩ হাজার ৬০০ গবাদি পশু, বাগেরহাটে ৩৫ হাজার ৮৪৮, সাতক্ষীরায় ৫২ হাজার ৬২৯, যশোরে ৫৩ হাজার ৬৯৬, ঝিনাইদহে ১ লাখ ৬৯ হাজার ২৪১, মাগুরায় ৩১ হাজার ৯৯৭, নড়াইলে ২৮ হাজার ৬৬৩, কুষ্টিয়ায় ১ লাখ ৬০ হাজার ৫৭১, চুয়াডাঙ্গায় ১ লাখ ২৫ হাজার ২১৮ ও মেহেরপুরে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৮৬টি।
তিনি বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার গবাদি পশু একটু কম। প্রাথমিক তথ্য মতে, জেলায় এবার ২৩ হাজার ৮৬৭টি পশুর ঘাটতি আছে। সাতক্ষীরায় পশু ঘাটতি আছে ৪৩৪টি। তবে বিভাগে কোরবানির পশুর যে চাহিদা রয়েছে তাতে প্রস্তুতকৃত পশু দিয়ে কোরবানি হয়ে যাবে। চাহিদার তুলনায় স্থানীয় খামারগুলোয় গরু বেশি থাকায় অন্য কোথাও থেকে পশু আনতে হবে না বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, খুলনা জেলার মধ্যে তেরখাদা, ফুলতলা, রূপসা, দিঘলিয়া ও ডুমুরিয়া উপজেলায় খামারের সংখ্যা বেশি। কেউ শখের বশে, কেউ বেকারত্ব ঘোচাতে এসব খামার গড়ে তুলেছেন। কোরবানিতে ভালো দামের আশায় এসব খামারি পশু লালন-পালনে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।










