গাইবান্ধার অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভশীল। জেলার শতকরা ৭০-৭৫ শতাংশ পরিবার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। জেলায় উৎপাদিত ফসলের মধ্যে অন্যতম রোপা আমন। অধিকাংশ কৃষক বাড়তি খরচে সেচ দিয়ে রোপণ করেছেন ধানের চারা। এরই মধ্যে খেতগুলো সবুজে ভরে উঠেছে। তবে কিছু স্থানে পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে ইঁদুরের উপদ্রব। ধানগাছ কেটে সাবাড় করছে ইঁদুর। এতে ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক।

চাষীরা বলছেন, ভালো ফলনের আশা ছিল তাদের। কিন্তু ইঁদুরের আক্রমণে সে স্বপ্ন ভঙ্গ হতে চলেছে। এ সমস্যা সমাধানে কৃষি বিভাগে পরামর্শ পাওয়া যায়নি। ইঁদুরের কবল থেকে খেত রক্ষায় বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক প্রয়োগ করেও কাজ হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বাঁশের ডোঙার ফাঁদ দিয়ে ইঁদুর নিধনের চেষ্টা করছেন তারা।

সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, ‘অন্যের আট বিঘা জমি বর্গা নিয়ে আমন আবাদ করেছি। ইঁদুরের আক্রমণে অনেক ক্ষতি হয়েছে। ইঁদুরের কবল থেকে খেত রক্ষার জন্য বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক প্রয়োগ করেও কাজ হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছি।’

চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৩২ হাজার ১৪৬ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে।গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘রোপা আমন খেতে ইঁদুর দমনের জন্য বিষটোপ প্রয়োগসহ বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে সহকর্মীরা মাঠে কাজ করছেন। ভালো ফলন পেতে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।’