নাটোরের গুরুদাসপুরে বাবার কাছে পাওনা টাকা আদায় করতে কিশোর ছেলেকে শেকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের উচলনালি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার কিশোর শাওন ইসলাম (১৩) উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বেড়গঙ্গরামপুর গ্রামের কাবিল হোসেনের ছেলে। গতকাল বেলা ২টার দিকে পুলিশের সহায়তায় শাওনকে উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামীমা আফরোজ জানান, শাওনের বাঁ পায়ে জখমের চিহ্ন রয়েছে।
অভিযুক্ত মুন্নাফ হোসেন উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের উচলনালি গ্রামের একজন কৃষক। নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘জমি ইজারার টাকা পরিশোধ না করে টালবাহানা করছিলেন কাবিল হোসেন। গতকাল সকালে বাগান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করতে এলে তার ছেলেকে আটকে রাখা হয়েছিল। তবে নির্যাতন করা হয়নি।’
এ ঘটনায় মুন্নাফ হোসেনের বিরুদ্ধে গুরুদাসপুর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন শাওনের মা আরজিনা বেগম। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মতিন বলেন, ‘এ ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
মুন্নাফ হোসেনের পাঁচ বিঘা জমি ১৭ হাজার টাকা বছর চুক্তিতে লিজ নিয়ে সেখানে পেয়ারাবাগান করেন কাবিল হোসেন। তিনি বলেন, ‘দুই বছর ফলন বিপর্যয় হয়। এ কারণে এক বছরের টাকা পরিশোধে বিলম্ব হয়েছে। বকেয়া টাকা পেতে আমার ছেলেকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়েছে।’










