চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে সাতদিন থাকার পর গতকাল সকাল পৌনে ১০টায় শিশুটি মারা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার সময় মায়ের জন্য পান কিনতে বাসা থেকে বের হয় শিশু রেশমি। পথে দুর্বৃত্তদের মধ্যে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায় সে। ওই ঘটনায় রাজু নামে এক যুবক নিহত হন। বাম চোখে গুলিবিদ্ধ হয় রেশমি। সেখান থেকে উদ্ধার করে প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে চমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে আইসিইউতে টানা সাতদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত হার মানল শিশুটি।

চমেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডা. কেএম বাকী বিল্লাহ সবুজ জানান, রেশমির বাম চোখ দিয়ে গুলিটি প্রবেশ করে মাথার পেছনের অংশে আটকে ছিল। বিষয়টি গুরুতর হওয়ায় তার চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গুলিটি এমনভাবে আটকে ছিল যা অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।

রেশমির বাবা রিয়াজ আহমদ একজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি। রৌফাবাদ কলোনির সামনে শাক বিক্রি করে সংসার চালান তিনি। পাঁচ সন্তানের মধ্যে রেশমি সবার ছোট। সে স্থানীয় ব্যারিস্টার মিল্কি মেমোরিয়াল স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ত। এ ঘটনায় নিহত রাজুর মা বায়োজিদ থানায় মামলা করলে মূল আসামিসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।