ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি নির্মাণ করা প্রায় ৪০ বছর আগে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভবনের দেয়াল থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা। ছাদে দেখা দিয়েছে ফাটল। একই অবস্থা হরিণাকুণ্ডু উপজেলার তাহেরহুদা ও ভায়না, শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর ও সারুটিয়া এবং মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের। মাত্র তিনটি কক্ষে চলে ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিসের কার্যক্রম।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলছেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জন্যও নেই বসার উপযুক্ত স্থান। ছয়টি ইউনিয়নে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার মানুষ সেবা নিতে আসে। দুর্ঘটনা এড়ানোর পাশাপাশি সেবা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করা দরকার।
হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পোলতাডাঙ্গা গ্রামের রহিম মণ্ডল বলেন, ‘তাহেরহুদা ও ভায়না ইউনিয়ন পরিষদ ভবন জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। এগুলো মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা দরকার।’
পরিত্যক্ত ভবনে সেবা দেয়ার বিড়ম্বনার কথা স্বীকার করে ভায়না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা তুষার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘পরিত্যক্ত ও জরাজীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে অনেক কষ্ট করে নাগরিক সেবা দিয়ে যাচ্ছি। সব সময় সেবাপ্রত্যাশীদের ভিড় লেগেই থাকে। বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কার্যাক্রম চালাতে হয়।’
সেবা নিতে আসা মোতালেব হোসেন বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে এলে ভয়ে থাকতে হয়। একান্ত প্রয়োজন না হলে ভবনের বাইরেই দাঁড়িয়ে থাকি। ডাক পড়লেই কেবল ভেতরে যাওয়া হয়।’
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্রনাথ রায় বলেন, ‘নতুন ভবন নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করছি দ্রতই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।’










