মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, কারেন্ট জাল দামে সস্তা হওয়ার কারণে এবং হালকা হওয়ায় পরিবহনে সুবিধার কারণে জেলেরা ব্যবহার করছে।

এ জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ে। নেট সাইজের কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় কারেন্ট জাল ক্ষতিকর। নেট সাইজ নিয়ন্ত্রণে মৎস্য অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলাপ করে সাইজ নির্ধারণ করা হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য জাল উৎপাদনকারী ও মৎস্যজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, মুন্সিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কারেন্ট জাল উৎপাদন হচ্ছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং জাল জব্দ করা হচ্ছে। তবে শুধু অভিযান পরিচালনা করে সমস্যা সমাধান করা যাবে না। এ কারণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরিকল্পনা করতে হবে।

মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাতের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ।

এর আগে তিনি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে স্থাপিত জুলাই স্মৃতি কর্নার উদ্বোধন করেন।