খুলনা সিটি
করপোরেশন নির্বাচনের ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে
নির্বাচনী সরঞ্জাম। ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা এসব সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছেন।
বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স থেকে রোববার (১১ জুন) দুপুর ১২টায় এ কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের দুই দফা ব্রিফ করে জেলা কেএমপি কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান ভূঁইয়া। তিনি জানান, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরে নির্বাচন উপলক্ষে নেয়া নিরাপত্তাব্যবস্থার কথা নিশ্চিত করেন র্যাব ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারাও।
খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন জানান, নির্বাচনে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র ও নগরের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৮ হাজার ৩০০ জন সদস্য। গতকাল শনিবার দুপুর থেকে নগরীর সড়কগুলোতে টহল শুরু করেছেন বিজিবি সদস্যরা। থাকবেন ৪৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকবেন ৫ হাজার ৭৬০ জন কর্মকর্তা।
রিটার্নিং
কর্মকর্তা আরো জানান, ভোট কেন্দ্রগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে ২ হাজার ৩০০টি ক্লোজ
সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। ইভিএম মেশিন প্রয়োজন হচ্ছে
প্রায় ৩ হাজার। পর্যবেক্ষক থাকবেন বেসরকারি দুটি সংস্থার ২০ জন ও নির্বাচন কমিশনের
১০ জন।
সোমবার
সকাল ৮টা থেকে খুলনা সিটি নির্বাচনের ভোট শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
নির্বাচনের
ফল ঘোষণা করা হবে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে। এবার মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৫
হাজার ২২৯ জন।










