গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু। গতকাল বেলা ৩টার দিকে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনিসুজ্জামান খান বাবু হেরে যান। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৩০৬ ভোট। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল করিম ১ লাখ ২১ হাজার ৯৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আনিসুজ্জামান খান বাবু বলেন, ‘অন্তত ৩০টি কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসাররা ভোট শুরুর আগেই ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেন। কী উদ্দেশ্যে তারা স্বাক্ষর নিয়েছেন তা সহজেই অনুমেয়। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জানালেও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘বেলা ২টার পর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরাও ধানের শীষের সমর্থক ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের বিরুদ্ধে মারমুখী আচরণ করেছেন।’ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে তাকে পরাজিত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। জালিয়াতির মাধ্যমে ভোটে অনিয়ম করে জামায়াত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্যদিকে গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনেও পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানিয়েছেন জামায়াত প্রার্থী আব্দুর রহিম সরকার। দুপুরে শহরের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি। এ আসনে বিএনপি প্রার্থী শামীম কায়সার জয়ী হয়েছেন।

আব্দুর রহিম বলেন, ‘নির্বাচনের দিন পাঁচটি কেন্দ্রে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী প্রিজাইডিং অফিসারকে তালাবদ্ধ করে রাখে। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দেয়। এ সময় বিএনপির লোকজন কেন্দ্র দখল করে ব্যালটে সিল মারে।’