নির্বাচন পর্যবেক্ষক অনুমোদন নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ‘গত ২৬ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন ৮১টি সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন স্থানীয় পর্যবেক্ষক অনুমোদনের কথা জানালেও এর মধ্যে অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত ও পর্যবেক্ষণ কাজে অভিজ্ঞতাহীন ১৬টি সংস্থা থেকে ৩১ হাজার ৮০১ জনকে অনুমতি দেয়া হয়েছে, যা মোট পর্যবেক্ষকের ৬৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। একই সঙ্গে এসব সংস্থার কয়েকটির সঙ্গে বিশেষ রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার খবর সংবাদমাধ্যমে আসায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।’
গতকাল বিকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সংস্থাগুলো হচ্ছে রিসডা বাংলাদেশ ১ হাজার ৬৪৫ জন, বাকেরগঞ্জ ফোরাম ১ হাজার ৫০ জন, অ্যাসোসিয়েশন অব মুসলিম ওয়েলফেয়ার এজেন্সিজ ইন বাংলাদেশ ৬৪৩ জন, অ্যাক্টিভ এইড ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন ১ হাজার ৩৫ জন, ইমপ্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ ১ হাজার ৫৩৫ জন, দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন ৩৯৮ জন ও কমিউনিটি অ্যাসিস্ট্যান্স ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট ৩ হাজার ৮৬১ জন।
মাহদী আমিন বলেন, ‘এরই মধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির অবশ্যম্ভাবী বিজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে একটি নির্দিষ্ট দল নানা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। এর আগে ওই দলটির নেতাকর্মীরা বাসায় বাসায় গিয়ে ভোটারদের বিকাশ নম্বর ও ভোটার আইডি নিয়েছে। বিকাশ, রকেট বা নগদের মাধ্যমে এভাবে অবৈধ অর্থ প্রেরণ বা জান্নাতের টিকিটের প্রলোভনকে ধর্মপ্রাণ দেশবাসী প্রত্যাখ্যান করছেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর বোরখা ও নিকাব বানানোর বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি।’










