খুলনার সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা মিথ্যাচার ও উসকানিমূলক বক্তব্য রেখেছেন বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। এছাড়া কয়েকটি গণমাধ্যম অসত্য ও অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশন করেছে বলে দাবি করেন তারা। গতকাল খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ বলেন, বিভাগের ১০ জেলা থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। তাদের পথে কোথাও কোনো বাধা দেয়া হয়নি। তবে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় তারা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সমাবেশের আগে এ অঞ্চলের মালিক-শ্রমিকরা নিরাপত্তার স্বার্থে এবং তাদের কিছু দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিবহন বন্ধ রাখে। এর সঙ্গে সরকার বা আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই।
নগরীর দৌলতপুর এলাকার নতুন রাস্তা মোড়ে আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা করে ভাংচুর করা হয়েছে। এতে দুজন আহত হয়েছেন, যারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলও ভাংচুর করা হয়েছে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা নগরীর শিববাড়ী মোড় টাইগার গার্ডেন হোটেলের সামনে চারটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খুলনা নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি বাবুল রানা, জেলা সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার অধিকারী, সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান বাবু, কামরুজ্জামান জামাল, আশরাফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম, সৈয়দ আলী, সফিকুর রহমান পলাশ, আসাদুজ্জামান রাসেল প্রমুখ।
রেলস্টেশনে ভাংচুরের ঘটনায় মামলা: খুলনা রেলস্টেশনে ভাংচুরের ঘটনায় নাম উল্লেখ না করে বিএনপির ১৭০ নেতাকর্মীর বিরু"ে
মামলা হয়েছে। খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে শনিবার রাতে খুলনা জিআরপি থানায় মামলাটি করেন।
খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার রবিউল হাসান জানান, সরকারি কাজে বাধা, হুকুম অমান্য ও ভাংচুরের ঘটনায় শনিবার রাতে অজ্ঞাতনামা ১৫০-১৭০ জনের বিরু"ে
মামলা হয়েছে।
খুলনা রেলওয়ে পুলিশের ওসি খবির আহমেদ জানান, তদন্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।










