তিনি বলেন, ‘অধিকার আদায়ে ভয় বা সামাজিক সংকোচ কাটিয়ে সাংবাদিকদের আইনি প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসতে হবে।’
গতকাল বণিক বার্তার প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনে এসে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. আব্দুস সবুর। বণিক বার্তার সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। বণিক বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেন, ‘যেকোনো রাইট (অধিকার) প্রতিষ্ঠার জন্য আপনাকে এগোতে হবে। আইনের আশ্রয় নেয়াটাই সবচেয়ে জ্ঞানের কাজ।’
সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন ও নানা ধরনের ভয় কাজ করে উল্লেখ করে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, ‘অনেক সময় সাংবাদিকরা সমস্যার সমাধান এড়িয়ে যান। কিন্তু এড়িয়ে গেলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়।’ অধিকার আদায়ে প্রয়োজনীয় জায়গায় অভিযোগ, জিডি বা আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাংবাদিকদের পেশাগত দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটি প্রতিবেদনের ভাষা, উদ্দেশ্য ও তথ্যভিত্তিকতা দেখেই বোঝা যায় সেটি বস্তুনিষ্ঠ নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’ কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য-প্রমাণ, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘রিপোর্ট দেখলেই বোঝা যাবে আপনার মোটিভেশনটা কী।’
প্রেস কাউন্সিলে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, ‘অভিযোগ এলে সেটি অবশ্যই প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা মোকাবেলা করতে হবে। কোনো নোটিস বা অভিযোগ এড়িয়ে গেলে সমস্যার সমাধান হয় না।’
তিনি বলেন, ‘যেকোনো সংক্ষুব্ধ পক্ষ প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করে ন্যায়বিচার পেতে পারে। অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করি। প্রেস কাউন্সিলে আসা অভিযোগগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয় এবং বিচার প্রক্রিয়ায় বস্তুনিষ্ঠতা গুরুত্ব পায়।’
সবশেষে প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বণিক বার্তা কার্যালয়ের কর্মপরিবেশের প্রশংসা করেন।










