উখিয়ার ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে ঢেউয়ের টানে ভেসে গিয়ে মোহাম্মদ শান্ত ইসলাম (১৫) নামের এক মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শান্ত নিখোঁজ হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর সাগরে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেন কোস্টগার্ড, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচকর্মীরা। এ সময় শান্তর সঙ্গে গোসলে নামা আরো ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, শান্ত ইসলাম ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা মোজ্জামেল হোসেনের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে ১৫-১৬ মাদরাসা ছাত্রের একটি দল ইনানী সৈকতে ঘুরতে আসেন। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা সাগরে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে ঢেউয়ের টানে কয়েকজন শিক্ষার্থী ভেসে যেতে থাকেন। এ সময় তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন সৈকতে থাকা লোকজন। পরে ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও শান্ত নিখোঁজ ছিলেন।
তিনি আরো জানান, উদ্ধার করা মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সৈকতে নিয়োজিত জেলা প্রশাসনের বিচকর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুবুল আলম জানান, শান্ত নিখোঁজ হওয়ার পর বিচকর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা সাগরে তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় শান্তর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দূরে মেরিন ড্রাইভের পাশে ইনানী সৈকত। প্রাকৃতিক চুনাপাথরে ভরপুর এ সৈকতে পর্যটকদের গোসলে নামা নিষিদ্ধ।
এর আগে ১৪ অক্টোবর কক্সবাজারের হিমছড়ির পেঁচার দ্বীপ সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে পাঁচ পর্যটক নিখোঁজ হন। ওইদিন বিকালে তাদের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন বাকি দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও বিচকর্মীরা। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।










