গাইবান্ধা সদর উপজেলার গোয়াইলবাড়ী আমতলী মোড় থেকে পলাশবাড়ী উপজেলার কুমেদপুর বাজারের দূরত্ব তিন কিলোমিটার। তবে তিন গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র এ সড়কের পুরোটাই কাঁচা। বর্ষায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে সড়কটি। ১০ মিনিটের রাস্তা পার হতে সময় লাগে ১ ঘণ্টারও বেশি। বিকল্প রাস্তা না থাকায় ভোগান্তি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এমনিতেই গ্রামীণ সড়কটি বেহাল। তার ওপর প্রতিনিয়ত মাহিন্দ্রা, ট্রাক্টর, পাওয়ার ট্রিলার ও ভটভটি চলাচল করছে। এসব যান চলাচলের কারণে সড়কের আরো বেশি ক্ষতি হচ্ছে। সড়কের সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়ন অংশে রয়েছে গোয়াইলবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি উপাসনালয়। পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়ন অংশে রয়েছে খামার জামিরা রেজিস্টার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হামিউস সুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসা, কুমেদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুমেদপুর দারুল উলুম মডেল মাদ্রাসা, কুমেদপুর বাজার হাফিজিয়া মাদ্রাসাসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
গোয়াইলবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির হোসেন সম্প্রতি গাইবান্ধা সরকারি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পোস্টগ্র্যাজুয়েট করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাস্তাটির বিভিন্ন অংশে গর্ত তৈরি হয়েছে। যার ফলে জনসাধারণের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। যানবাহনও তেমন একটা চলাচল করে না। অসুস্থ মানুষকে সঠিক সময়ে হাসপাতালে নেয়া সম্ভব হয় না। কাঁচা রাস্তা পেরিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করছেন। ব্যবসায়ীরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। মাঝেমধ্যে গাড়ি উল্টে পণ্য নষ্ট হয়ে যায়। রাস্তাটি দিয়ে তিন গ্রামের মানুষের চলাচল। অথচ সামান্য বৃষ্টিতে পথচারীরা স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না।’
গোয়াইলবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মেহেদী হাছান শাকিল বলেন, ‘আধুনিক যুগে এসেও আমাদের চলাচলের রাস্তা এতটাই খারাপ যে একটু বৃষ্টি হলেই বের হওয়া যায় না।’
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. বাবলু মিয়া বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বরাদ্দ পেলে সড়কটি পাকা করা হবে।’










