ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন ঢালচরে কালবৈশাখীতে ঘাটে থাকা একটি লঞ্চ ডুবে গেছে। গতকাল সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে। লঞ্চটি সকালে ঢালচর থেকে চরফ্যাশনের কচ্ছপিয়া ঘাটে যাওয়ার কথা ছিল। এদিন ভোলার মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে পাথরবাহী বাল্কহেড ডুবে যায়। এসব ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঢালচর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান, গতকাল সকালে কালবৈশাখীতে ঘাটে বাঁধা থাকা লঞ্চটির উপরের অংশ বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে যায়। পরে প্রচণ্ড বাতাসের কারণে পানির চাপে লঞ্চের নিচতলা ডুবে যায়। স্থানীয়রা ও লঞ্চের কর্মচারীরা দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন। লঞ্চটি ডুবে যাওয়ায় প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢালচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কাউছার ফরাজী জানান, কালবৈশাখীর কারণে লঞ্চ ডুবে যাওয়ায় ঢালচর ইউনিয়নের সঙ্গে চরফ্যাশন উপজেলার সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। লঞ্চটি ছিল ঢালচরবাসীর যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম।

লঞ্চের মালিক মো. আজিজ বলেন, ঢালচরের মানুষের সুবিধার্থে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ঢালচর থেকে চরফ্যাশনের কচ্ছপিয়া ঘাটে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন করছিল লঞ্চটি। মূলত ঢালচরে কোনো শাখা খাল না থাকায় নদীর পাশে নোঙর করতে হয় লঞ্চ কিংবা মাছ ধরার নৌকাগুলোকে। এতে প্রায়ই ঝড়ের কবলে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে।

এদিকে ভোলার মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে পাথরবাহী বাল্কহেড ডুবে গেছে। পাথরগুলো ভোলার মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে ব্লকের কাজে ব্যবহারের জন্য আনা হচ্ছিল।

ইলিশা ফেরিঘাটের নৌ-পুলিশ ইনচার্জ সুজন চন্দ্র পাল জানান, কিশোরগঞ্জ থেকে এমভি জেআরবি নামের একটি বাল্কহেড পাথর নিয়ে যাওয়ার সময় ভোলার জোড়খাল এলাকায় কালবৈশাখীর কবলে পড়ে ডুবে যায়।