উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত হালনাগাদকৃত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে ইসি। গতকাল নির্বাচন কমিশন থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০২৬-এর চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়।

হালনাগাদকৃত তালিকার তথ্যমতে, সব মিলিয়ে দেশে ভোটার সংখ্যা এখন ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০। মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩, নারী ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন ও হিজড়া পরিচয়ে ভোটার আছেন ১ হাজার ২৪৩ জন।

এক্ষেত্রে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সফলভাবে নিবন্ধন সম্পন্নকারীদের তথ্যই চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএইচএম আনোয়ার পাশা।

তিনি জানান, ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ভোটার ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত সেখানে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন। ভোটার বৃদ্ধির হার দশমিক ৫ শতাংশ।

এনআইডির মহাপরিচালক বলেন, ‘ইসির নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সর্বশেষ ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, যারা ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বরের পর নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন এবং যাদের জন্ম ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে তাদের তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে হালনাগাদ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ নভেম্বর ইসি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ব্রিফিং করেন সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানিয়েছিলেন, ৩১ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে বর্তমানে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জনে। পরবর্তী সময়ে এ ভোটার তালিকার ওপরই ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।

এর পরও ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত যারা নিবন্ধন করেছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে গতকাল তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।