ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেন পেইন্টিং কম্পিটিশন ২০২৩- বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন সাত বছরের স্টিভেন ডেভিড। ভারতের কেরালা ট্যুরিজম ও কেরালা সরকার আয়োজিত এ অনলাইন প্রতিযোগিতায় দশ হাজারেরও বেশি প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছেন তিনি।
জার্মানি, কানাডা, সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, কিউবা, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, রোমানিয়া, ইতালি, মালয়েশিয়া, ডেনমার্ক, শ্রীলংকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিশুদের আঁকা ছবির মধ্যে থেকে দীর্ঘ যাচাই-বাছাইয়ের মধ্যে দিয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ২০২৩-এর আয়োজনের বিষয়বস্তু ছিল কেরালার বৈচিত্র্যময় গ্রামীণ জীবন।
ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেন পেইন্টিং কম্পিটিশনে শীর্ষস্থান দখল করায় গর্বিত স্টিভেন ডেভিডের পরিবারের সদস্যরাও। তার মা সৌমিতা বোস বলেন, ‘ছবি আঁকা গুণ মূলত বাবার কাছ থেকেই পেয়েছে স্টিভেন।
রঙের তুলির স্পর্শে নিজের কল্পনা শক্তি দিয়ে স্টিভেন এঁকেছে কেরালার গ্রামীণ জীবনের ছবি।
স্টিভেনের মা সৌমিতা বোস আরো জানান, “স্টিভেনের ৫ বছর বয়সে অর্থাৎ ২০২৩ সালে সে প্রতিযোগিতার জন্য ছবিটি আঁকে। খুব ছোট ছিল, তখন প্রতিযোগিতা কী এটা উপলব্ধি করার ক্ষমতা তার ছিল না। তবে স্টিভেনকে আমি কেরালার গ্রামীণ জীবন, সেখানকার পরিবেশ নিয়ে বিভিন্ন প্রামাণ্যচিত্র দেখিয়েছি যাতে করে কেরালা নিয়ে ওর কল্পনার জগত আরো প্রসারিত হয়। সেটারই বহিঃপ্রকাশ ও ওর আঁকা ছবিতে দেখিয়েছে।“
কোন বিষয়টি স্টিভেনকে প্রতিযোগিতার উদ্বুদ্ধ করেছে জানতে চাইলে তিনি জানান, স্টিভেন পশুপাখি খুব পছন্দ করে। যখন আমি ওকে কেরালা নিয়ে নির্মিত বিভিন্ন প্রামাণ্যচিত্র দেখাতাম, সেখানে হাতি বারবার দেখানো হতো। আর হাতি স্টিভেনের বেশ প্রিয়। ওর ছবিতেও ও হাতি এঁকেছে।
এর আগে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে দশ হাজারেরও বেশি আঁকা ছবির মধ্য থেকে ১০১ জন শিশুর আঁকা ছবি প্রতিযোগিতার ৫টি বিভাগে সংগৃহীত হয়। ৫টি বিভাগের মধ্যে থেকে শীর্ষস্থান নিজের করে নিয়েছেন বাংলাদেশের স্টিভেন ডেভিড। তার বাবা জুলিয়ান ডেভিড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন।










