মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের রফতানি সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বৈদেশিক বাজারে মাংস রফতানিকে উৎসাহিত করার ব্যাপারে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। আজ রোববার পাবনায় বেঙ্গল মিট প্রসেসিং কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের উৎপাদিত পণ্য ও খামারভিত্তিক উৎপাদন বিদেশে রফতানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং দেশের চাহিদা পূরণের বিষয়টিও গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রচুর সম্পদ রয়েছে। সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে আরো শক্তিশালী করা যায়, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও কৃষক শ্রেণী কীভাবে উপকৃত হতে পারে এবং তাদের কর্মসংস্থান কীভাবে বাড়ানো যায়, সেসব বিষয়কে মাথায় রেখেই আমরা বেঙ্গল মিট পরিদর্শনে এসেছি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বেঙ্গল মিট কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক ও নিরাপদ পদ্ধতিতে মাংস উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাত করছে এবং সীমিত আকারে রফতানিও করছে। রফতানিতে যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সে জন্য সরকার থেকে কী ধরনের সহায়তা দেয়া যায়, তা পর্যালোচনা করা হবে।

পরিদর্শনকালে তিনি কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম, স্বাস্থ্যসম্মত মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা, মান নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ প্রক্রিয়া এবং সার্বিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ, পাবনা- ২ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. আবদুর রহিমসহ বেঙ্গল মিটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ছিলেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের (মিল্ক ভিটা) বাঘাবাড়ীঘাট দুগ্ধ কারখানা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি কারখানার দুধ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদন কার্যক্রম, মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মিল্ক ভিটার সভাপতি এস এম আমীর হামজা শাতিল, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিনসহ মিল্ক ভিটার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।