সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটিয়ে এ বাজেটে নীতিনির্ধারণী লক্ষ্যমাত্রা ও মাঠপর্যায়ের চাহিদার সুষম সমন্বয় করে একটি জনবান্ধব ও ভবিষ্যৎমুখী সামষ্টিক অর্থনৈতিক রূপরেখা প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও মত দিয়েছেন তারা।
গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাকশনএইড আয়োজিত ‘ভবিষ্যতে বিনিয়োগের সময় এখনই: নারী, তরুণ ও জলবায়ু সুরক্ষায় জনবান্ধব বাজেট’ শীর্ষক জাতীয় বাজেট সংলাপে এসব বক্তব্য উঠে আসে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক) ড. সাইমুম পারভেজ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অর্থনীতিবিদ ড. সায়মা হক বিদিশা জেন্ডার বাজেটকে সব মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কাঠামো হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। জলবায়ু অর্থায়ন বিশেষজ্ঞ ড. আহসান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গত এক দশকে প্রায় ২৫টি মন্ত্রণালয় জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্ত হলেও গড় বাস্তবায়ন সক্ষমতা মাত্র ৭ শতাংশ।’
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ জানায়, এ সংলাপের মূল লক্ষ্য হলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দাবি ও প্রয়োজনকে জাতীয় বাজেটে প্রতিফলিত করা, যাতে নারী, তরুণ ও জলবায়ু বিপন্ন মানুষদের জন্য টেকসই উন্নয়ন কাঠামো গড়ে ওঠে।
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবিরের সঞ্চালনায় অধ্যাপক শারমিন্দ নীলোর্মি, মোসাম্মৎ নীপা আক্তার, অধ্যাপক তাসলিমা ইয়াসমিন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. গোলাম মোছাদ্দেক জানান, সরকারের মূল লক্ষ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৈষম্য হ্রাস। এরই মধ্যে ১৫টি খাতে ক্লাইমেট জাস্টিস যুক্ত করা হয়েছে এবং স্বচ্ছতা বাড়াতে ১০০ শতাংশ ডিজিটাল রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড চালু করা হয়েছে।










