বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) সাবেক শিক্ষার্থী নোশিন শারমিলি। দেশ ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের পতাকাকে গর্বের সঙ্গে উড়িয়ে চলেছেন। বিইউবিটির বিবিএ প্রোগ্রামের সাবেক এ শিক্ষার্থী প্রমাণ করেছেন, মনোনিবেশ ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী একই সঙ্গে একাডেমিক অগ্রগতি ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে অসামান্য কৃতিত্ব অর্জন করতে পারে। শৈশব থেকেই খেলাধুলার প্রতি নোশিনের গভীর ভালোবাসা ছিল। ক্রীড়াজীবন সাঁতার, হাইকিং, দৌড়ের মধ্য দিয়ে শুরু হলেও পরে তিনি ব্যাডমিন্টন, ভলিবল ও ট্র্যাক ইভেন্টে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তায়কোয়ানদো, ফিটনেস ট্রেনিং এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নেন। নিজের ইচ্ছাকে তিনি হার মানতে দেননি।
তার সাফল্যের তালিকা সত্যিই বিস্ময়কর। ২০২৪ সালে তিনি ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার লাদাখ ম্যারাথন সফলভাবে সম্পন্ন করেন। একই বছর দার্জিলিংয়ে অনুষ্ঠিত দ্য বুদ্ধ ট্রেইলস প্রতিযোগিতায় ৩০ কিলোমিটার দৌড়ে অংশ নিয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে দৌড় সম্পন্ন করেন। এছাড়া বান্দরবানে ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স আল্ট্রা ম্যারাথনে অংশ নেন। ২০২৫ সালে ঢাকা আন্তর্জাতিক ম্যারাথনে পেসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সহদৌড়বিদদের অনুপ্রাণিত করেন পুরো ৪২.১৯৫ কিলোমিটার পথ শেষ করতে। স্থানীয় পর্যায়েও তিনি অংশ নিয়েছেন ১৫টিরও বেশি দৌড় প্রতিযোগিতায়।
গত ২১ সেপ্টেম্বর নোশিন শারমিলি বিইউবিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. এবিএম শওকত আলীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। উপাচার্য তার এ সাফল্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘নোশিনের অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। ক্রীড়াজীবনের পাশাপাশি নোশিন বর্তমানে রান বাংলা ইন্টারন্যাশনাল রেস ইভেন্ট অর্গানাইজার টিমের পিআর ও কমিউনিকেশন ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।










