মাইনিংয়ে মাস্টার্সের জন্য অস্ট্রেলিয়া খুবই ভালো অপশন। এখানে রিসার্চ বেজড মাস্টার্স প্রায় নেই বললেই হয়। সবই কোর্স বেজড। যুক্তরাষ্ট্রের মতো ফুল ফান্ড স্কলারশিপও নেই। তাই অস্ট্রেলিয়ায় মাইনিং পড়া বেশ ব্যয়সাপেক্ষ। দেশে আগের থেকে চাকরির সুযোগ কিছুটা বাড়লেও অনেক ঘাটতি আছে। বিদেশে চাকরির সুযোগ বেশি।৷ অস্ট্রেলিয়ার পুরো ইকোনমি মাইনিংয়ের ওপর নির্ভরশীল। এখানে মাইনিংয়ে চাকরির বাজার খুবই ভালো। কিন্তু এ চাকরির বাজারে ঢুকতে হলে অবশ্যই ভালো একাডেমিক স্কিল অথবা পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এছাড়া সাউথ আফ্রিকা, কানাডা ও আমেরিকাও মাইনিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য অন্যতম অপশন হিসেবে বিবেচ্য। মাইনিংয়ের চাহিদা শেষ হবে না। প্রযুক্তি যতদিন আছে ততদিন বিভিন্ন খনিজ সম্পদের চাহিদা থাকবে। আর তার জন্য মাইনিং ইন্ডাস্ট্রি ও তার সঙ্গে যুক্ত ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদা থাকবেই। এছাড়া মাইনিং থেকে জিওটেক ইঞ্জিনিয়ারিং, জিওসায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং, মাইনিংয়ে ডাটা সায়েন্সের কর্মক্ষেত্রেও যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। গবেষণাভিত্তিক কাজ করার ইচ্ছা থাকলে থ্রি-ওয়ান, থ্রি-টু থেকেই লেগে পড়ো। একটা পছন্দসই টপিকে কাজ করো, যা সময়ের সঙ্গে কাজে দেবে। যদি সম্ভব হয় তবে যেকোনো একটি মাইন ডিজাইন সফটওয়্যার (Vulcan, Mineplan3d, Datamine, Surpac) ভালোভাবে শেখার চেষ্টা করো। এগুলো পোর্টফোলিও তৈরি করতে সাহায্য করবে।
মাস্টার্স অব প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং (মাইনিং), দি ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া










