উচ্চশিক্ষা অর্জনে বিদেশে যাওয়ার যেমন অনেক সুবিধা আছে, তেমনি থাকে কিছু অসুবিধাও। বিদেশে অধ্যয়নরত কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেল বিশেষ কিছু দিক।

সুবিধা

আত্মনির্ভরশীলতা: পরিবারের ওপর নির্ভরশীলতা কমে আসে, নিজের সব সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হয়।

সংস্কৃতিচর্চা: বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।

নতুন ভাষা রপ্ত: নতুন দেশের ভাষা দ্রুত শিখতে পারা যায়।

যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধি: নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে এবং সামাজিক সম্পর্ক গড়তে সাহায্য করে।

আধুনিক শিক্ষা অর্জন: উন্নত ও গবেষণালব্ধ শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হওয়া যায়।

ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট: বিদেশী ডিগ্রির কারণে দেশে ও বিদেশে চাকরির বাজারে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়।

অ্যাডভেঞ্চার: নতুন দেশ ও স্থান এক্সপ্লোর করার সুযোগ পাওয়া যায়।

পার্টটাইম চাকরি: পড়াশোনার পাশাপাশি আয়ের সুযোগ থাকে।

একটি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ: ভালো মানের ডিগ্রি অর্জন করলে চাকরি খুঁজতে হয় না, বরং চাকরিই আপনাকে খুঁজে নেবে।

অসুবিধা

ভিন্ন পদ্ধতিতে পড়াশোনা: বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা কেবল ক্লাসরুমে সীমাবদ্ধ থাকে না। ক্লাসের পাশাপাশি গবেষণা, প্রজেক্ট, রেফারেন্স খোঁজার জন্য লাইব্রেরিতে দীর্ঘ সময় কাটাতে হয়।

ভিন্ন পরিবেশ: সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে সময় লাগতে পারে।

ব্যক্তিগত কাজ সামলানো: বাসার কাজ, রান্নাসহ যাবতীয় কাজ নিজেকেই সামাল দিতে হবে।

একাকিত্ব: পরিবার-পরিজন ছাড়া ভিন্ন দেশে জীবন যাপন করতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী একাকিত্বে ভোগেন।

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন: শুরুর দিকে উচ্চ চাহিদা এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন আর্থিক ও মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত খরচ: বিদেশের মাটিতে খরচ সীমিত না করলে অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে হতে পারে।