বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) আওতাধীন সিভিল এভিয়েশন একাডেমি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) কাছ থেকে ট্রেইনার প্লাস গোল্ড মেম্বারশিপ অর্জন করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত আইসিএও গ্লোবাল ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট সিমপোজিয়ামে (জিআইএসএস) আইসিএও এর সেক্রেটারি জেনারেল জুয়ান কার্লোস সালাজার এই স্বীকৃতি দেন। বেবিচকের পক্ষে এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহ্বুব খান ও সিভিল এভিয়েশন একাডেমির পরিচালক প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী এই ফলক গ্রহণ করেন।
আইসিএও সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, খুব কম দেশই এত অল্প সময়ে সিলভার থেকে গোল্ড ক্যাটাগরিতে উন্নীত হতে পারে। এই অর্জন বেবিচক চেয়ারম্যানের অসাধারণ দিকনির্দেশনার ফল।
বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া বলেন, এটি বিশাল অর্জন। এর ফলে বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টরে আরো অনেক দক্ষ জনবল তৈরি হবে। তিনি বিশ্বাস করেন যে তারা প্ল্যাটিনাম ক্যাটাগরিতেও উন্নীত হতে পারবেন।
আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর এভিয়েশন খাতে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে সিভিল এভিয়েশন একাডেমি আইসিএও এর সহযোগিতায় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। আইসিএও মানদণ্ড অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনার ফলে একাডেমি সিলভার থেকে গোল্ড ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে।
ট্রেইনার প্লাস গোল্ড সদস্য হিসেবে সিভিল এভিয়েশন একাডেমি এখন আইসিএও প্রণীত মডেলের অধীনে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এর ফলে এই অঞ্চলের এভিয়েশন ইন্সট্রাক্টর ও ইন্সপেক্টরদের দক্ষতা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হবে।
এই স্বীকৃতির ফলে আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন থেকে বাংলাদেশে প্রশিক্ষিত আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষক তৈরি হবে, যারা দেশ ও বিদেশে আইসিএও এর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কোর্স পরিচালনা করতে সক্ষম হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ এখন আইসিএও ট্রেনিং প্যাকেজ (আইটিপি) তৈরি ও সরবরাহের সক্ষমতা অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব হবে, যা দেশের বিমান চলাচল প্রশিক্ষণ খাতে নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে।









