বাংলাদেশের সঙ্গে আর্জেন্ট এলএনজির চুক্তি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেছেন, নন-বাইন্ডিং চুক্তির হেডস অব অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর একটি প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ। যেখানে প্রধান শর্তগুলো নির্ধারণ করা থাকলেও আলোচনার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ ও বাইন্ডিং চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আইন, যেমন পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট, ২০০৬, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস, ২০০৮ এবং ফরেন প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট (প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন) অ্যাক্ট, ১৯৮০ অনুসরণ করা হবে।
উল্লেখ্য, মার্কিন কোম্পানি আর্জেন্ট এলএনজির সঙ্গে এলএনজি আমদানিসংক্রান্ত একটি নন-বাইন্ডিং চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)। এ চুক্তির আওতায় আর্জেন্ট এলএনজির কাছ থেকে বাংলাদেশ বছরে ৫০ লাখ টন এলএনজি আমদানি করতে পারবে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে।
আর্জেন্ট এলএনজির ওয়েবসাইটে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চুক্তি চূড়ান্ত হলে লুইজিয়ানার পোর্ট ফোরচনে প্রতিষ্ঠানটির যে ফ্যাসিলিটি থেকে এ এলএনজি আমদানি করা হবে, সেটির নির্মাণকাজ এখনো শুরু হয়নি। ২০২৬ সালে শুরু হয়ে এ প্রকল্পের ফেজ-১-এর নির্মাণকাজ শেষ হতে অন্তত ২০৩০ সাল লেগে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কোম্পানিটির কাছ থেকে ২০৩০ সালের আগে এলএনজি পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই। আবার আর্জেন্ট এলএনজি নিজেই বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর সম্ভাব্য সময় ধরেছে ২০৩০ সালের পর।









