খুলনার
রূপসা নদীর চরে বড় আকৃতির একটি কুমির দেখতে পেয়েছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় স্থানীয়দের
মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নদীর যেখানে কুমিরটি দেখা গিয়েছে, তার পাশেই রয়েছে একটি
প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে স্কুলের শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত শিক্ষক ও
অভিভাবকরা। এদিকে এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে এলাকার মসজিদগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে।
খবর পেয়ে
রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবাইয়া তাছনিমও কুমিরটি দেখতে
গিয়েছিলেন। ইউএনও বণিক বার্তাকে জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কামাল উদ্দিন বাদশাকে সঙ্গে
নিয়ে গিয়ে স্বচক্ষে কুমিরটি দেখেছেন তিনি।
স্থানীয়
একজন কম্পিউটার দোকানদার রফিকুল ইসলাম কুমিরটি প্রথম দেখেন। পরে তিনি ছবি তুলে তার
ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করলে সেটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে আলোচনা শুরু হলে কুমির
দেখার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজন আসতে শুরু করেন।
যেখানে
কুমিরটি দেখা যায়, তার পাশেই চররূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের প্রধান
শিক্ষক সালমা খাতুন বলেন, রোববার স্কুল
চলাকালীন কুমিরটি দেখা যায়। এদিকে স্কুলটিতে সীমানা প্রাচীর না থাকায় বিষয়টি নিয়ে
উদ্বিগ্ন তিনি। আপাতত কলাপসিবল গেট আটকে ক্লাস কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
নদীপাড়ের আরেকটি
স্কুল, বাগমারা দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ লুৎফর
রহমানও জানালেন উদ্বেগের কথা। জোয়ারের সময় তার স্কুলটির বারান্দা পর্যন্ত পানি চলে
আসে। তখন ব্যাপারটি আরো ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা তার। এ স্কুলটিরও নেই
সীমানাপ্রাচীর।
বিষয়টি
নিয়ে খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো বলেন, সম্প্রতি খুলনা এলাকার নদ-নদীতে কুমির দেখার খবর পাচ্ছি
আমরা। কুমিরগুলো হঠাৎ এখানে কেন আসতে পারে, তা নিয়ে কিছু বলেননি তিনি। তবে এ ধরনের
ঘটনায় প্রাণীগুলোকে বিরক্ত না করে বনবিভাগকে খবর দেয়ার পরামর্শ তার।
রূপসায় কুমির দেখে চরে আতঙ্ক
যেখানে কুমিরটি দেখা গিয়েছে, তার পাশেই একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে এলাকার মসজিদগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে।
যেখানে কুমিরটি দেখা গিয়েছে, তার পাশেই একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকতে এলাকার মসজিদগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে।










