আমাদের দেশে পঞ্চাশোর্ধ্ব অনেকেই ভোগেন বাতের ব্যথায়। রোগটি বেশির ভাগ সময় বংশগত কারণে হয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে হাড়ের জয়েন্টে ইউরিক অ্যাসিড জমা হলে বাতের ব্যথা হয়। এছাড়া বাড়তি ওজন, ডায়াবেটিস, কিডনির অসুখ ও অ্যালকোহল সেবনের ফলেও বাতের ব্যথা হতে পারে। ভিটামিন ও ক্যালসিয়ামের অভাবেও এ রোগ হতে পারে। বাতের ব্যথা দূর করতে নিয়মিত ব্যায়াম ও ওষুধের পাশাপাশি ব্যথার উপযোগী সুষম খাবার গ্রহণও জরুরি। বাত নিরাময়ে যেসব খাবার খাওয়া জরুরি—
- বিভিন্ন মসলা, আদা, দারুচিনি ও রসুনে প্রদাহনাশক গুণ রয়েছে। ফলে আদা ও রসুন নিয়মিত খেলে কমতে পারে বাতের ব্যথা।
- আখরোট ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে সমৃদ্ধ। এ ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আর্থ্রাইটিসের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
- পালংশাকে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। বিশেষত ক্যাম্পফেরল নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি বাতের ব্যথা কমাতে খুবই উপযোগী।
- স্যামন, ম্যাকেরেল ও সারডিনের মতো সামুদ্রিক মাছ বাতের ব্যথায় বেশ উপকারী। এ ধরনের মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। পাশাপাশি এ মাছগুলোয় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, যা অস্থিসন্ধির স্বাস্থ্যরক্ষায় সহায়তা করে।
- দুধ, দুগ্ধজাত খাদ্য ও ছোট মাছ খাবেন। এতে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ হবে। লাল চাল, লাল আটা বা ভুট্টায় আছে ভিটামিন বি ১২, যা বাতের রোগীদের জন্য উপকারী।
- ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ হাড়কে শক্তিশালী করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- উচ্চমানের ভিটামিন সমৃদ্ধ ব্রকলিতে রয়েছে সালফোরাফেন নামে একটি উপাদান, যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। এর মধ্যকার ক্যালিসিয়াম সুস্থ হাড় গঠনে ভূমিকা রাখে।
- ফাইবার সমৃদ্ধ শিমের বিচিতে রয়েছে প্রোটিন, লোহা, জিংক ও পটাশিয়াম।










