শৈশবকালই সঠিক সময় শিশুর হাড়কে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার। কারণ ১৮ বছর বয়সের পর আর হাড় বাড়ে না। তাই শিশুর হাড়কে দৃঢ় ও মজবুত করতে শৈশবেই শিশুর খাবারের দিকে অভিভাবকের নজর দেয়া উচিত।
উচ্চ ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার: ক্যালসিয়াম হাড়ের জন্য উপকারী খনিজ। এটি হাড় ও পেশি গঠনে সাহায্য করে। ছোট থেকেই ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে সুস্থ ও মজবুত হাড় নিশ্চিত করা সম্ভব এবং বার্ধক্যে হাড়ের সমস্যা এড়ানো যায়। সঠিক মাত্রায় ক্যালসিয়াম নিশ্চিত করতে শিশুর খাদ্যে দুগ্ধজাত খাবার যেমন দুধ, ছানা পনির, সবুজ শাকসবজি, বাদাম, কমলালেবু বা কমলালেবুর জুস রাখতে হবে।
ভিটামিন ডি: শিশুর জন্য ভিটামিন ডি খুবই জরুরি। আমরা জানি সূর্যের আলোতে ভিটামিন ডি পাওয়া যায় তাই শিশুকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য গায়ে রোদ লাগাতে হবে।
নিয়মিত শরীরচর্চা : যত বেশি কাজ করি আমাদের পেশি ও হাড় তত বেশি সক্রিয় থাকে। শিশুর শরীরকে সক্রিয় রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। দৌড়ানো, লাফানো—এগুলোর মাধ্যমে হাড় মজবুত হয়। এছাড়া সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, ক্রিকেট, ফুটবলের মতো খেলাধুলা শরীরের জন্য খুবই ভালো ব্যায়াম। তাই আপনার শিশুকে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা সময় দিন শরীরচর্চার জন্য।
আঁশজাতীয় খাবার: বিশেষ ধরনের কিছু আঁশজাতীয় খাবার শরীরের জন্য শক্তিশালী। কলা, গম, মধুতে থাকা আঁশ পেটে গিয়ে জেলির আকার ধারণ করে। শিশুদের হাড় বিকাশে বেশ উপকারী এ-জাতীয় খাবার।
ভিটামিন কে ও ম্যাগনেশিয়াম: ক্যালসিয়ামের সঙ্গে সঙ্গে এ দুই উপাদানও হাড়ের শক্তি বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে। সবুজ শাকসবজি, বিশেষ করে ফুলকপি ও বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন কে ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে।
চিনির পরিমাণ কমানো : শিশুর পাকস্থলীতে এমনিতেই খুব কম পরিমাণ জায়গা থাকে। অযথা চিনিজাতীয় খাবার যেমন জুস, কোল্ড ড্রিংকস দেয়া উচিত নয়। বরং পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার দিয়ে যতটুকু সম্ভব পেট ভরানোর চেষ্টা করা উচিত।









